© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বৃষ্টির দিনে শ্রুতি দাসের শৈশব ও প্রেমের স্মৃতিচারণ

শেয়ার করুন:
বৃষ্টির দিনে শ্রুতি দাসের শৈশব ও প্রেমের স্মৃতিচারণ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫৭ এএম | ০২ মে, ২০২৬
বৃষ্টির দিন অনেকের কাছে রোম্যান্টিক আবহ তৈরি করলেও অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের কাছে এটি যেন অতীতের দরজা খুলে দেয়। সামান্য মেঘলা আকাশ বা টুপটাপ বৃষ্টি নামলেই তিনি ফিরে যান নিজের শৈশবের কাটোয়ার দিনগুলোতে—মায়ের হাত ধরে ভেজা পথ পেরোনো, ন্যাড়া ছাদের ওপর বৃষ্টির শব্দ আর বাবার সাইকেলের পেছনে বসে নির্ভেজাল আনন্দের স্মৃতি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় শ্রুতি তুলে ধরেছেন তাঁর শৈশবের সেই সহজ-সরল সুখের দিনগুলোর কথা। নাচের ক্লাস শেষে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরা, মায়ের সঙ্গে ছুটে চলা-সবকিছুই এখন তাঁর কাছে অমূল্য স্মৃতি। তিনি জানিয়েছেন, এসব ভাবলেই বুকের ভেতর হাহাকার জেগে ওঠে।

শ্রুতির সেই বৃষ্টিভেজা স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের শুরুর অধ্যায়ও। জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ত্রিনয়নী’র শুটিং সেটেই পরিচালক স্বর্ণেন্দু সামাদ্দারের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সূচনা হয়। অভিনেত্রীর ভাষায়, দূর থেকে একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকা, বৃষ্টিতে একা একা ভিজে নাচ করা কিংবা মেকআপ রুমে ইশারায় ডাকা—এই ছোট ছোট মুহূর্তই ছিল তাঁদের সম্পর্কের শুরু।



তবে আনন্দের স্মৃতির পাশাপাশি কিছু না পাওয়ার কষ্টও রয়েছে তাঁর কথায়। সাফল্য অর্জনের পরও হারিয়ে গেছে সেই নির্ভার শৈশব। বাবা-মায়ের বয়স বাড়ছে, তাঁদের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা এখন সবসময় তাঁকে তাড়া করে। শ্রুতির আক্ষেপ, বড় হওয়ার তাড়াহুড়োয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলো হয়তো পুরোপুরি উপভোগ করা হয়নি।

তবুও আশাবাদী শ্রুতি। নিজের বার্তায় তিনি সবার জন্য ভালোবাসা, কাজের সাফল্য এবং বাবা-মায়ের সুস্থ জীবনের প্রার্থনা করেছেন। তাঁর মতে, বৃষ্টির জল যেমন পুরনো ধুলো মুছে দেয়, তেমনি স্মৃতির এই অনুভূতিগুলোই তাঁকে নতুন করে বাঁচার শক্তি দেয়।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন