মেহেদী-রিশাদরা তো ব্যাটিং পারে, ম্যাচে পারফর্ম করলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে: লিটন দাস
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩৫ পিএম | ০২ মে, ২০২৬
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। মূলত লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের আউটের পর ব্যাটিং ধস দেখে তারা। পরে দলের হয়ে আর কেউ ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। এনিয়ে আফসোস ঝরেছে অধিনায়ক লিটনের কণ্ঠে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘তারা ব্যাটিংয়ে পেছনে সময় দিচ্ছে। একদিনে তো বদলে যাবে না, সম্ভবও না। ওরাও চেষ্টা করছে। আশা করি বিশ্বকাপ আসতে আসতে কিছুটা হলেও ভালো হবে। সবাই চেষ্টা করছে। আপনারাও দেখবেন সবাই ব্যাটিং করে। নেট ব্যাটিং আর ম্যাচের ব্যাটিংয়ে অনেক তফাৎ আছে। ওরা যদি ম্যাচগুলোতে পারফর্ম করে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।’
পরে লিটন আরও বলেন, ‘এজন্যই তো বললাম, রিশাদ-মেহেদী-নাসুম স্পিনার হিসেবেই খেলে। পুরো বিশ্বেই যারা স্পিনার হিসেবে খেলে তারা ব্যাটিং পারে। সব দলেই করে। না হয় চায়নাম্যান হতে হবে। যেটা… মিরাকল কিছু হতে হবে। অনেক দলে থাকে না, শুধু বোলার হিসেবে খেলে। মেহেদী তো ব্যাটিং পারে। ওই পারফরম্যান্স দরকার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।’

রিশাদ-নাসুমের কথাও বললেন অধিনায়ক, ‘রিশাদ ও নাসুমের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অলরাউন্ডারের ক্ষেত্রে সাইফউদ্দিন আছে, সাকলাইন আছে, যদিও ওকে খেলানোর সুযোগ পাইনি, সাকিবও আছে। তাদের কাছ থেকে ব্যাটিং আশা করি। কিছু ক্ষেত্রে এমন গেম থাকবে যখন লোয়ার অর্ডারের সাপোর্ট দরকার। আশা করি ভবিষ্যতে ডেলিভার করবে।’
পরে ম্যাচ নিয়ে লিটন আরও বলেন, ‘দেখুন প্রেক্ষাপট দুই ধরনের ছিল। আবহাওয়া কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। প্রথমে যখন নেমেছি উইকেটের আচরণ একরকম ছিল, ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটেও ছিলাম। এরপর পার্টনারশিপ প্রয়োজন ছিল, আবার ব্রেকে চলে গিয়েছি। যখন ১৫ ওভারের খেলায় দুইভাবে ব্যাটিং করবেন… আপনি জানেন আপনার শক্তির জায়গায় ৬ ব্যাটার। চাইলেও তখন আপনি বড় রান নিতে পারবেন না। প্রতিপক্ষ জানে ওদের ছোট লক্ষ্য, খেলায় ব্রেক নেই, বল ভিজে গেলে ব্যাট করাও সহজ হয়ে যায়। যে রান করেছি এই রানে ওদের আটকে রাখা খুব কঠিন ছিল। উইকেট ভালো হলে এই জিনিস খুব একটা হয় না।’
আরআই/টিএ