আইপিএলে মুম্বাইয়ের সপ্তম হার, সহজ জয় চেন্নাইয়ের
ছবি: সংগৃহীত
০৮:০২ এএম | ০৩ মে, ২০২৬
চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সময়টা ভালো যাচ্ছে না পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে আসরে সপ্তম হারের স্বাদ পেল তারা। অন্যদিকে দাপুটে জয়ে পয়েন্ট টেবিলে উন্নতি করলো চেন্নাই। অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
শনিবার (২ মে) রাতের ম্যাচে আগে ব্যাট করে মুম্বাই থামে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে। জবাবে চেন্নাই ১৮.১ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে।
মুম্বাইয়ের পক্ষে একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইনিংস আসে নমান ধীরের ব্যাট থেকে। ৩৭ বলে ৫৭ রান করেন তিনি। তবে তার লড়াই সত্ত্বেও বড় স্কোর গড়তে পারেনি দলটি। চেন্নাইয়ের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অনশুল কম্বোজ। ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া নূর আহমদও কার্যকর বোলিংয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি চেন্নাইয়ের। জসপ্রিত বুমরাহর বলে ১১ রানে আউট হন সানজু স্যামসন। তবে এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় চেন্নাই। উরভিল প্যাটেলের সঙ্গে ২২ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়েন গায়কোয়াড়।
পাওয়ার প্লেতে চেন্নাই তোলে ৬২ রান। প্যাটেল আউট হওয়ার পর গায়কোওয়াড়ের সঙ্গে যোগ দেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার কার্তিক শর্মা। দুইজন মিলে তৃতীয় উইকেটে ৭৫ বলে ৯৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে সহজ জয়ের পথে নিয়ে যান। গায়কোওয়াড় ৩৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

অন্যদিকে ২০ বছর বয়সী কার্তিক শর্মা খেলেন পরিণত ইনিংস। শুরুতে ধীরে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন। চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ছিল ম্যাচজয়ী।শেষ পর্যন্ত ১১ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে চেন্নাই।
ম্যাচ শেষে কার্তিক শর্মা বলেন, ‘আমি শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে রান তাড়াটা শেষ করতে চেয়েছিলাম। উইকেটটা ধীর ছিল, তাই সে অনুযায়ী খেলেছি।’
এর আগে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাইয়ের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ইন-ফর্ম উইল জ্যাকস আউট হন মাত্র ১ রানে। এরপর রায়ান রিকেলটন (৩৭) ও নমান ধীর মিলে ৩২ বলে ৫৮ রানের জুটি গড়লেও বড় ইনিংস গড়ে উঠেনি।সূর্যকুমার যাদব করেন ২১ রান, আর অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া সংগ্রাম করেন ২৩ বলে ১৮ রান করে।
চলতি আসরে এটি চেন্নাইয়ের চতুর্থ জয়, ফলে তারা উঠে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে। অন্যদিকে ৯ ম্যাচে ৭ হারে নবম স্থানে আছে মুম্বাই।
এমআই/এসএন