© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ করা হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ করা হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:২৮ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
কৃষকরা যত পরিমাণ ধান দিতে পারবেন, তত পরিমাণ ধানই সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। রোববার (৩ মে) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা পাবলিক হল মিলনায়তনে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষক ভাইদের উন্নয়ন ও তাদের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই কৃষি কার্ড চালু করেছেন। নিম্ন আয়ের মানুষ যেন তাদের ন্যূনতম চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করার লক্ষ্যে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণসহ নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি কর্মসূচি এমনভাবে গ্রহণ করছেন যাতে প্রান্তিক কৃষক ও সাধারণ মানুষ সহজে কৃষি উপকরণ পায় এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়। তাদের জীবনযাত্রার মান ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে আগামী জুলাই থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একই ধরনের পোশাক (ইউনিফর্ম) দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বরাবরই ধান বা চাল সংগ্রহ করা হলেও এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকরা যত পরিমাণ ধান দিতে চাইবেন, তার সবটুকুই সংগ্রহ করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়েও বেশি পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। কৃষকরা যেন প্রকৃত দাম পায়, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আপনারা লক্ষ্য করেছেন, ইতিমধ্যেই সুনামগঞ্জ ও সিলেটসহ হাওড় অঞ্চলে বন্যা হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চাল সংগ্রহের তারিখ ১৫ তারিখ থেকে এগিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি টাকা পরিশোধ করা হবে। এখানে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেট থাকবে না। কৃষকরা সরাসরি কেন্দ্রে এসে ধান দিতে পারবেন। তবে ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার আর্দ্রতা বজায় থাকা জরুরি, অন্যথায় তা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না। তাই কৃষকদের যথাযথভাবে শুকানো ধান নিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে জেলায় মোট ২০ হাজার ৪১৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৫৫ হাজার ৫৮৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে। প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা এবং চালের মূল্য ৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার মোট ১৩টি খাদ্যগুদামে এই সংগ্রহ অভিযান চলবে।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন