জাপানে জামায়াত আমিরপ্রবাসের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সম্পদ দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১২ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
প্রবাসে অর্জিত অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সম্পদ দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এই পরিবর্তনের ধারাকে টেকসই ও সফল করতে দেশের ভেতরের পাশাপাশি প্রবাসীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
গতকাল রবিবার জাপানে ইসলামিক মিশন জাপান (আইএমজে) আয়োজিত কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন ও শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক মিশন জাপানের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ছাবের আহমদ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাপান বাংলাদেশের একটি অকৃত্রিম বন্ধুরাষ্ট্র। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটি বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্বশীল আচরণ, সততা ও নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা সম্ভব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ব ও সম্ভাবনার বিষয়টি গুরুত্বসহ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাপান এমন একটি দেশ, যেখানে কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও সময়নিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, কর্মসংস্কৃতি ও সামাজিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে দেশটি বিশ্বের জন্য এক অনন্য উদাহরণ।
তিনি আরো বলেন, জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগই পাচ্ছেন না; বরং দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। দক্ষতা অর্জন, আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ এবং সেই অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন।
বিশেষ অতিথি সাইফুল আলম খান মিলন বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ ও মুসলিম উম্মাহর বিভক্তির বাস্তবতা তুলে ধরে ঐক্যের অপরিহার্যতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিভাজন ও মতপার্থক্য ভুলে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
টিজে/এসএন