মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনারিমান্ড শেষে কারাগারে সুদীপ চক্রবর্তী
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৭ পিএম | ০৬ মে, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকেকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (৬ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে এ আদেশ দেন।
গত রবিবার থেকে এ মামলায় তিনি ৩ দিনের রিমান্ডে ছিলেন। ওইদিন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত বুধবার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য পরেরদিন রবিবার ধার্য করেন।
আজ আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন।
অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী আসামি ড. সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে ভিক্টিম মিমোর সম্পর্ক ছিল। ঘটনার আগে গত ২৬ তারিখ রবিবার মিমোর সাথে ভিডিও কলে কথা হয়।
সেখান থেকেই মিমো আত্মহত্যার প্ররোচণা পান। মুনিরা মাহজাবিন মিমো ছিলেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে বাড্ডার বাসায় থাকতেন মিমো। রবিবার সকালে নিজের ঘর থেকে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়।
সেখানে লেখাছিল, “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া"। ঘটনার পরে দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার পরে সুদীপকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। তার পক্ষে আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এসএন