সংসদীয় ক্ষমতার বাইরে গিয়ে অধ্যাদেশ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা যায় না: আইনমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৭:০৬ পিএম | ০৮ মে, ২০২৬
জুলাই সনদ, এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, গণভোট এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বিস্তৃত আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন আইনমন্ত্রী।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে খুলনা আইনজীবী সমিতিতে নতুন আইনজীবীদের অভিষেক ও বরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ নিয়ে ব্যাখ্যা দেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জুলাই সনদে ৩৩টি রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, কীভাবে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন হবে, কোনটি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে, কোনটি অধ্যাদেশে এবং কোনটি সাধারণ প্রশাসনিক আদেশে হবে। প্রতিটি ধাপে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।
ওই কাঠামো উপেক্ষা করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ নামে একটি নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে, যা অনেকের চাপের মুখে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আইনগত দৃষ্টিকোণ তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ১৯৭২-৭৩ সালের প্রেসিডেন্ট অর্ডারের প্রসঙ্গ টেনে যেভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল ও ৯৩ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৭৩ সালের পর থেকে অধ্যাদেশের সীমা নির্ধারিত আছে এবং সংসদীয় ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কোনো অধ্যাদেশ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা যায় না।
তিনি আরও বলেছেন, যে আদেশকে ভিত্তি করে গণভোট অধ্যাদেশ আনা হয়েছে, সেটি যদি অবৈধ হয়, তবে তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা পুরো কাঠামোও আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। এই ধরনের পদক্ষেপ সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে নেওয়ার একটি চেষ্টা, যা আইনগতভাবে টেকসই নয়।
টিকে/