© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ড. ইউনূসের প্রতি ভারতের সম্পর্ক ‘প্রতিহিংসায়’ রূপ নিয়েছে: রনি

শেয়ার করুন:
ড. ইউনূসের প্রতি ভারতের সম্পর্ক ‘প্রতিহিংসায়’ রূপ নিয়েছে: রনি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩৩ এএম | ০৯ মে, ২০২৬
সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, ড. ইউনূসের প্রতি ভারতের যে ঘৃণা এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে, সেই ঘৃণা এখন রীতিমতো প্রতিহিংসায় পরিণত হয়েছে। ভারত যদি জীবিত থাকে, নরেন্দ্র মোদি জীবিত থাকে, অজিত দোহাল জীবিত থাকে, তাহলে ড. মোহাম্মদ ইউনূসের যে বাকি জীবন এটা জমানায় তারেক মানে যদি থাকে বা অন্য কোনো জমানা আসে যেভাবে হোক না কেন ইউনূসকে ভারত স্বস্তিতে থাকতে দেবে না। আমেরিকা কোনো অবস্থাতে তাকে রাখবে না।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে ‘তিনতন্ত্র’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।

ভিডিও বক্তব্যে গোলাম মাওলা রনি বলেন, এখন যে কথাটি আপনারা সবাই জানেন যে, তারেক রহমান সাহেবের সঙ্গে সেই ইলেকশন অনেক আগের থেকেই দিল্লি একটা ভালো সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছে এবং সেই সম্পর্কটি এতটা যাকে বলা হয় দৃঢ়তার সঙ্গে তারা করতে চেয়েছে যে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাতে স্বয়ং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন এবং এস জয়শঙ্কর এই মুহূর্তে ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। দুজন ব্যক্তি নরেন্দ্র মোদির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন এস জয়শঙ্কর, আরেকজন হলেন অজিত দোহাল। ড. মোহাম্মদ ইউনূস জয়শঙ্কর এবং অজিত দোহালের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করেছেন এমনকি তিনি যখন বাংলাদেশে এসেছেন সংসদ ভবনে যখন জয়শঙ্কর বসেছিলেন তারেক রহমান সাহেবের সঙ্গে তখন খলিলুর রহমান যিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এখন আছেন এবং ওই সময়টাতে নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।
তার সঙ্গে অজিত দোহালের একটা সম্পর্ক ছিল এবং এখনো আছে।

তো তিনি প্রাণান্ত চেষ্টা করেছিলেন যে সংসদ ভবনে এটলিস্ট তাদের মধ্যে একটি হ্যান্ডশেক হোক, করমর্দন হোক। অর্থাৎ ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টা কিন্তু সেটি জয়শঙ্কর করেননি।

ইউনূসের প্রতি ভারতের যে ঘৃণা এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে, সেই ঘৃণা এখন রীতিমতো প্রতিহিংসায় পরিণত হয়েছে। ভারত যদি জীবিত থাকে, নরেন্দ্র মোদি জীবিত থাকে, অজিত দোহাল জীবিত থাকে, তাহলে ড. মোহাম্মদ ইউনূসের যে বাকি জীবন এটা জমানায় তারেক মানে যদি থাকে বা অন্য কোনো জমানা আসে যেভাবে হোক না কেন ইউনূসকে ভারত স্বস্তিতে থাকতে দেবে না।

আমেরিকা কোনো অবস্থাতে তাকে রাখবে না। ঘৃণাটা ওই পর্যায়ে গিয়েছিল। এই ঘৃণাটা কেন হলো?

এর কারণ হলো ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে বা এনসিপিকে, বা সমন্বয়কদেরকে, বা শেখ হাসিনাকে হটানোর ক্ষেত্রে, এদেরকে নতুন ক্ষমতায় আনতে, ভারত এবং আমেরিকার যে মাস্টার প্ল্যান ছিল, প্রায় সবগুলো মাস্টার প্ল্যান একের পর এক বুমেরাং হয়ে পড়েছে এবং এই বুমেরাং হওয়ার জন্য, ড. মোহাম্মদ ইউনূসের অদক্ষতা, অযোগ্যতা, এবং তার ব্যক্তিত্বহীনতা, মেরুদণ্ডহীনতা, তার যারা উপদেষ্টা ছিলেন, তাদের কুপমন্ডকতা, একসঙ্গে কাজ করেছে।

ফলে ধরুন আপনার ক্ষেত্রে চিন্তা করুন যে আপনি খুব আশা করে কাউকে ঘরে স্থান দিয়েছেন তারপরে শোবার জায়গা দিয়েছেন। রাতে পোলাও কুরমা খেতে দিয়েছেন সকাল বেলা গিয়ে দেখলেন যে বেচারা পায়খানা করে পেশাব করে পেট খারাপ করে আপনার পুরো রুম মানে খাট ঠাট সব নষ্ট করে ফেলেছে।

এখন মেজাজটা কেমন লাগবে যদি আপনি মহামানব না হন। ওই লোক যদি ওখানে বসা থাকে আপনার কি মনে হবে তাকে কি আপনার চুমা দিতে ইচ্ছা করবে। বা ঠিক আছে লোক পায়খানা করেছে, আপনি নিজ হাতে একটু পরিষ্কার করবেন। না চড়াই ওর ৩২টা দাঁত খুলে দিতে ইচ্ছা করবে।

তো ওই রকম যারা বিদেশি শক্তি বিশ্বন থেকে যারা ইনভেস্ট করে ধরেন আমেরিকা ইনভেস্ট করে অন্যান্য দেশ যদি ইনভেস্ট করে থাকে তার যেমন একটা যাকে বলা হয় প্রতিদান তারা চেয়েছিল সে প্রতিদান তারা পায়নি।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন