© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার ঘোষণা ইরানের

শেয়ার করুন:
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার ঘোষণা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৪৪ এএম | ১০ মে, ২০২৬
চলমান সংঘাত ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে ইরান। চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দুলরেজা রহমানি ফাজলি জানিয়েছেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পরবর্তী সময়ে তেহরান ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক আরও ‘ব্যাপক, গভীর এবং বহুমুখী’ হয়ে উঠবে।

একই সঙ্গে কঠিন সময়ে ইরানের পাশে থাকার জন্য বেইজিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত ফাজলি চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন- চীনারা কঠিন সময়ে ইরানের প্রকৃত বন্ধু ছিল এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আমাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে ও আমাদের জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা আমাদের কঠিন সময়ের বন্ধুদের কখনোই ভুলব না। 

তিনি চীনকে ইরানের অন্যতম ‘কৌশলগত অংশীদার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু” হিসেবে অভিহিত করেন। রাষ্ট্রদূতের মতে, বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটলে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

রাষ্ট্রদূত ফাজলির এই মন্তব্য এমন এক সংকটকালীন সময়ে এল যখন ইরান বহুমুখী আন্তর্জাতিক চাপের সম্মুখীন। বিশেষ করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌ অবরোধ এবং একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে তেহরান যখন কোণঠাসা, তখন চীনের প্রকাশ্য সমর্থন ইরানের জন্য বড় এক কূটনৈতিক রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই বার্তা মূলত পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি একটি প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি। ইরান বুঝিয়ে দিচ্ছে, ওয়াশিংটনের চাপ সত্ত্বেও তারা বৈশ্বিক শক্তিকাঠামোতে একা নয়। বেইজিংয়ের বিনিয়োগ এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা তেহরানের অর্থনীতিকে সচল রাখতে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে। রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে এই অংশীদারিত্ব কেবল বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও আরও বহুমুখী রূপ নেবে।

সূত্র- আল জাজিরা

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন