© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আকুর দায় শোধের পর কমল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

শেয়ার করুন:
আকুর দায় শোধের পর কমল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪০ পিএম | ১০ মে, ২০২৬
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে এখন ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিল মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৫১৪ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। এতে ১০ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৪০ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার।

আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৯ দশমিক ২৭ মিলিয়ন বা ২৯.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর আগে গত ৭ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন বা ৩৫.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ হাজার ৯৬০ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ৩০.৯৬ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

আকু কী?

আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।

জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন