© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আবারও আদনান-সাবিকুন নাহারের বিচ্ছেদ, গুরুতর ৪ অভিযোগ

শেয়ার করুন:
আবারও আদনান-সাবিকুন নাহারের বিচ্ছেদ, গুরুতর ৪ অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৫৭ পিএম | ১০ মে, ২০২৬
আলোচিত তরুণ ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও সাবিকুন নাহার সারার সংসার আবারও ভেঙে গেছে। প্রথমবার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার কিছুদিন পর তারা আবার বিয়ে করেন।দ্বিতীয়বার দাম্পত্য শুরু করার চার মাসের মাথায় ফের তাদের বিচ্ছেদ ঘটল।

রোববার (১০ মে) দেশের একটি গণমাধ্যমকে এই বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবিকুন নাহার সারার বড় বোন মোছাম্মাত হাজেরা।

তিনি দাবি করেন, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জের ধরে আদনান-সারা দম্পতির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবাহ বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

ত্বহা ও নাহার নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন উল্লেখ করে মোছাম্মাত হাজেরা বলেন, ‘দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু সেই সম্পর্ক আর টেকেনি। শেষ পর্যন্ত গত পবিত্র রমজান মাস শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার রাতে অর্থাৎ ঈদের আগের রাতে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।’

বিচ্ছেদের কারণ জানতে চাইলে আদনানের নামে গুরুতর অভিযোগের কথা তুলে ধরেন মোছাম্মাত হাজেরা। ছোট বোন সাবিকুন নাহারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, আদনান চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন। বিয়ের কথা বলে মেয়েদের ছবি নেন, তাদের সঙ্গে কফি খান; কিন্তু বিয়ে করেন না। তিনি মারাত্মক বদমেজাজি। দ্বিতীয়বার বিয়ে হওয়ার পর তিনি সাবিকুন নাহারের কাছ থেকে টাকা নেন এবং তাকে নিজের মা ও ভাই-বোনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেন।

বিলাসিতা করে শুধু ঋণ করেন আর মানুষকে বোঝান, তিনি ঋণী, কেউ তাকে ঋণ শোধের জন্য টাকা দিলে তার সওয়াব হবে। পাবনায় অনার্সপড়ুয়া আয়শা নামের এক মেয়েকে মাদ্রাসা করে দিয়েছেন। মেয়েটির সঙ্গে তার নোংরা সম্পর্ক ছিল।

হাজেরার দাবি, উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে সাবিকুন নাহার আপত্তি জানালে ত্বহা ক্ষুব্ধ হন এবং দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটানোর জন্য তালাকের কথা বলেন। এক পর্যায়ে তাদের তালাক হয়ে যায়।

বিচ্ছেদ ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে আবু ত্বহা আদনানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উভয় পক্ষের সম্মতিতে যৌথ ও চূড়ান্ত তালাক হয়েছে।’

উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একদিন না হয় সময় করে অফিসে আসেন। যা বলার সামনা সামনি বলি। এসব অপবাদের জবাব দেওয়ার জন্য এক আল্লাহই আদনানের জন্য যথেষ্ট।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সারা। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন