© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কাবা চত্বরের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন মক্কার ডেপুটি আমির

শেয়ার করুন:
কাবা চত্বরের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন মক্কার ডেপুটি আমির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:২১ এএম | ১১ মে, ২০২৬
পবিত্র হজের আর অল্প কিছুদিন বাকি। আসন্ন হজ মৌসুম সামনে রেখে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মাতাফ (কাবা শরীফ প্রদক্ষিণের এলাকা) চত্বরের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন মক্কার ডেপুটি আমির ও হজ-ওমরাহ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল।

রোববার (১০ মে) মক্কার মসজিদুল হারাম ও আল-নাওয়ারিয়াহ হজযাত্রী অভ্যর্থনা ও নির্দেশনা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সেবা ব্যবস্থা ও অপারেশনাল কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা তাকে ভিড় ব্যবস্থাপনা, উন্নত সেবা নিশ্চিতকরণ এবং হজযাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন। মূলত হজের সময় হাজীদের অভিজ্ঞতা আরও আরামদায়ক ও নিরাপদ করতেই এই বিশেষ সফরের আয়োজন করা হয়।

ডেপুটি আমির গ্র্যান্ড মসজিদের তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণ প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করেন। সৌদি অর্থ মন্ত্রণালয় এবং হারামাইন কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায় এই প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজ কীভাবে এগোচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। নামাজি ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য যেন একটি আধুনিক ও সহজলভ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে।

এরপর তিনি আল-নাওয়ারিয়াহ এলাকায় হাজীদের অভ্যর্থনা কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। সেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হজ্জ ও ওমরাহ বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ মাশাত এবং মক্কার মেয়র মুসায়েদ আল দাউদসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

অভ্যর্থনা কেন্দ্রে প্রিন্স সৌদ প্রি-অ্যারাইভাল রুম বা আগাম বার্তা কক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে বড় পর্দার মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজীদের আবাসন ব্যবস্থা, বাসের অবস্থান এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। হাজীরা পৌঁছানোর আগেই তাদের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন কি না এবং বাসগুলো সঠিক সময়ে যাতায়াত করছে কি না, তা এই কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি তদারকি করা হয়।

এছাড়া হাজীদের থাকার জায়গায় পৌঁছানোর জন্য বাস পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এবং অভ্যর্থনা হলের সার্বিক শৃঙ্খলা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সৌদি সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, আল্লাহর মেহমানরা যেন মক্কায় পৌঁছানোর পর থেকে বিদায় নেওয়া পর্যন্ত কোনো ধরণের ভোগান্তি ছাড়াই তাদের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারেন।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন