রণজয়ের কাঁধে অভীকার কামড়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া
ছবি: সংগৃহীত
১০:৪১ এএম | ১১ মে, ২০২৬
বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে সহ-অভিনেত্রী অভীকা মালাকারর সঙ্গে তাঁর একটি ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। আর সেই ছবিকে কেন্দ্র করেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু নেটাগরিক।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন রণজয়। দীর্ঘদিনের প্রেমের পর নতুন জীবন শুরু করেন এই তারকা জুটি। এরই মধ্যে নতুন ধারাবাহিক প্রতিজ্ঞায় দেখা যাচ্ছে অভিনেতাকে। সেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন অভীকা মালাকার।

শুটিং সেট থেকে মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে ছবি ও ভিডিও ভাগ করে নেন তাঁরা। তবে এবার একটি বিশেষ ছবি ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় রণজয়ের সঙ্গে দুটি ছবি প্রকাশ করেন অভীকা। সেখানে দেখা যায়, অভিনেতার কাঁধে মজা করে কামড় বসাচ্ছেন তিনি। ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, ছুটি মানেই কামড়ে দেওয়ার মুড। পাশাপাশি ধারাবাহিক দেখার অনুরোধও জানান তিনি।
ছবিতে মন্তব্য করতে দেখা যায় রণজয়কেও। মজার ছলে অভিনেতা লেখেন, কেউ যেন অভীকাকে খেতে দেয়, না হলে এবার মানুষই চিবিয়ে খাবে। তাঁদের এই খুনসুটি অনেক অনুরাগীর ভালো লাগলেও একাংশের মধ্যে দেখা যায় বিরক্তি।
বিশেষ করে রণজয়ের স্ত্রী শ্যামৌপ্তির প্রসঙ্গ টেনে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন নেটাগরিকদের একাংশ। কেউ লেখেন, শ্যামৌপ্তিকে সরিয়ে এবার নতুন প্রেম শুরু হবে নাকি। আবার কারও মন্তব্য, রণজয়ের স্ত্রী রয়েছে, তাই এমন ঘনিষ্ঠতা না দেখালেই ভালো। কেউ কেউ আবার মনে করিয়ে দেন, এর আগে অন্য কোনও সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে রণজয়কে এতটা স্বচ্ছন্দ মজায় দেখা যায়নি।
অনেকেই অবশ্য বিষয়টিকে পেশাদার সম্পর্ক হিসেবেই দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, পর্দার রসায়ন যেন পর্দাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। যদিও কিছু মন্তব্যে অভীকার আচরণকে ‘বেশি গায়ে পড়া’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গুড্ডি ধারাবাহিক থেকেই কাছাকাছি এসেছিলেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে প্রেম দীর্ঘ সময়ের সম্পর্কের পর চলতি বছর বিয়ে করেন তাঁরা। বয়সের পার্থক্য নিয়ে নানা আলোচনা হলেও সমস্ত বিতর্ক পেরিয়ে নিজেদের নতুন জীবন শুরু করেছেন এই তারকা দম্পতি।
তবে বিয়ের অল্প সময়ের মধ্যেই রণজয়কে ঘিরে নতুন এই সমাজমাধ্যম বিতর্ক এখন টেলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত বিষয়।
পিআর/টিকে