হার্ট অ্যাটাক প্রাণ কাড়ে বলিউডের এই ৮ গায়কের!
ছবি: সংগৃহীত
১২:৩৪ পিএম | ১১ মে, ২০২৬
বলিউড সংগীত জগতে একাধিক কিংবদন্তি গায়ক তাঁদের সুর ও কণ্ঠে যুগ যুগ ধরে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে গেছেন। তবে দুঃখজনকভাবে এই শিল্পীদের অনেকেই হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের কারণে অকালে জীবন হারিয়েছেন। তাঁদের প্রস্থান সংগীত দুনিয়ায় এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে।
এই তালিকায় অন্যতম নাম কেকে। ২০২২ সালে কলকাতায় এক কনসার্ট শেষে হোটেলে ফিরে যাওয়ার সময় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু ভক্তদের স্তম্ভিত করে দেয়।

আরও এক কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বলিউডের বহু সুপারহিট গানের কণ্ঠস্বর হিসেবে তিনি আজও অমর হয়ে আছেন।
মহম্মদ রফি, যিনি বলিউড সংগীতের স্বর্ণযুগের অন্যতম স্তম্ভ, ১৯৮০ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর সময় হাসপাতালেই শেষ মুহূর্ত কাটে, যা সংগীতপ্রেমীদের জন্য ছিল এক গভীর শোকের মুহূর্ত।

আরেক জনপ্রিয় গায়ক মুকেশ আমেরিকায় একটি কনসার্টের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া গান আজও মানুষের মনে গভীর আবেগ সৃষ্টি করে।
মান্না দে, যিনি ভারতীয় সংগীত জগতে অসাধারণ অবদান রেখেছেন, ২০১৩ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর গাওয়া বহু ক্লাসিক গান আজও সমান জনপ্রিয়।

মহেন্দ্র কাপুর ২০০৮ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া দেশপ্রেমমূলক ও চলচ্চিত্রের গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
আরেক প্রবীণ শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ১৯৮৯ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাংলা ও হিন্দি দুই সংগীত জগতেই তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া সংগীত পরিচালক ও গায়ক ওয়াজিদ খান ২০২০ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যু সংগীত জগতে নতুন করে শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।
এই কিংবদন্তি শিল্পীদের প্রস্থান আজও ভক্তদের আবেগে গভীর দাগ কেটে আছে। তাঁদের গাওয়া গানগুলোই এখন তাঁদের অমর স্মৃতি হয়ে বেঁচে রয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
পিআর/টিকে