© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শেয়ার করুন:
জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১১ এএম | ১৫ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটন ডিসির জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকটি এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হলো যখন মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমঝোতা স্মারকটি সাশ্রয়ী মূল্য ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থায়িত্বের উপর ভিত্তি করে জ্বালানি উৎসের বিকল্পগুলিকে বৈচিত্র্যময় করার মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন পথ খুলে দেবে।

এটি দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতার বিনিময় এবং গবেষণাকে সহজতর করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশকে সাশ্রয়ী মূল্যে মার্কিন এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানি করতে সহায়তা করবে।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমঝোতা স্মারকটিকে ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী রাইট এই সমঝোতা স্মারকটিকে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন