© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সফরের শেষ দিনে বেইজিংয়ে একান্ত বৈঠকে শি-ট্রাম্প

শেয়ার করুন:
সফরের শেষ দিনে বেইজিংয়ে একান্ত বৈঠকে শি-ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৪২ এএম | ১৫ মে, ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বেইজিং সফরের শেষ দিনে আজ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত অত্যন্ত সুরক্ষিত ও গোপনীয় এলাকা 'ঝংনানহাই'-তে এই দুই বিশ্বনেতা মুখোমুখি হচ্ছেন।

সাবেক রাজকীয় এই উদ্যানটি বর্তমানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের আবাসস্থল ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নিষিদ্ধ নগরী বা ফরবিডেন সিটির পাশেই অবস্থিত এই ঝংনানহাই-তে খুব কম সংখ্যক বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর আগে ২০১৪ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখানে আতিথেয়তা পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে পুতিন ও লুকাশেঙ্কোর মতো হাতেগোনা কয়েকজন নেতাকে শি এখানে স্বাগত জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পকে ঝংনানহাই-তে আতিথেয়তা দেওয়া চীনের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মান ও সৌহার্দ্যের বহিঃপ্রকাশ। চীন চাইছে ট্রাম্পকে যথাযথ সম্মান প্রদানের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ইতিবাচক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে। সফরের শুরু থেকে দুই নেতার সঙ্গে বিশাল প্রতিনিধি দল থাকলেও, আজকের এই একান্ত বৈঠকে তারা ঘরোয়া ও অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে খোলামেলা আলোচনার সুযোগ পাবেন।

উভয় দেশই বর্তমান সম্পর্ককে 'কৌশলগত, গঠনমূলক এবং স্থিতিশীল' হিসেবে বর্ণনা করতে সম্মত হয়েছে। চীনের জন্য এই সফরের প্রধান লক্ষ্য হলো গত বছরের মতো অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতি এড়ানো। গত বছর দু'দেশের উত্তেজনার জেরে ট্যারিফ বা শুল্কের হার অস্বাভাবিকভাবে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।

শি জিনপিং এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত সমঝোতার ওপরই নির্ভর করছে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী এই দুই শক্তির আগামী দিনের সম্পর্কের সমীকরণ। বেইজিং আশা করছে, শীর্ষ পর্যায়ের এই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে মতপার্থক্য নিরসনে ভিন্ন পথ বেছে নেবে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন