১৭ বছর দেশে ভোটের অধিকার ছিল না : প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০২:৫১ পিএম | ১৬ মে, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘১৭ বছর দেশের জনগণের ভোটের অধিকার ছিল না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দেওয়া হতো। মামলা করা হতো। দেশ স্বৈরাচারের কবলে পড়েছিল। ছিল হত্যা ও গুম। তারা দেশের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে।
২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে বুকের রক্ত দিয়ে দেশের মানুষ গণতন্ত্র উদ্ধার করেছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার খেলার মাঠে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা খাল খনন, কৃষক কার্ড, ফ্যামেলি কার্ড ও ঈমাম মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর ওয়াদা দিয়ে ছিলাম। আমরা ওয়াদা রেখেছি।
বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা করে কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দেশকে পুন:গঠন করতে হলে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে হবে। তা শিক্ষায় হউক কিংবা অর্থনৈতিক। দেশের উন্নয়নে নারী পুরুষ সবাইকে স্বাবলম্বী করতে হতে হবে। বেকার সমস্যা দূর করতে কাজ করতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণ দেশের মালিক। জনগণ বিএনপিকে দেশের দায়িত্ব দিয়েছেন। বিএনপি অতীতেও চেষ্টা করেছে সকল প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে। এবারের নির্বাচনেও আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছি।’
গণপূর্তমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে সভায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সহসভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কেএন/টিএ