© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভাঙন রোধে আমরা ইমারজেন্সি ওয়ার্ক শুরু করেছি: পানিসম্পদমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
ভাঙন রোধে আমরা ইমারজেন্সি ওয়ার্ক শুরু করেছি: পানিসম্পদমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:২৭ পিএম | ১৭ মে, ২০২৬

ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইমারজেন্সি ওয়ার্ক শুরু করেছি বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।


রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় কথা বলছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সময় সংবাদ

রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় কথা বলছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

​রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি ঘাট ও সৈয়দপুর ঘাটে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে পানিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন যেখানে আছি, এটা মেঘনা নদীর পাড়। কাটাখালি এই বাজার—এই বাজারের দুই পাশে মেঘনা নদীর ভাঙন আমরা সরজমিনে প্রত্যক্ষ করলাম। অনেক বাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মানুষের জায়গা-জমি সব ভেঙে যাচ্ছে। চোখের সামনে আমরা দেখতেছি যে একটা স্কুল আমাদের সামনে ভেঙে পড়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে যেখানে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ভেঙে পড়ছে—স্বাভাবিক কারণে আমাদের একটা দায়িত্ব আছে। ওই দায়িত্ববোধ থেকে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা ইতিমধ্যে ভাঙন প্রতিরোধে জরুরিভাবে কাজ শুরু করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু সামনে বর্ষা এবং অতিপ্লাবন, সেজন্য আমরা এটা হাতে নিয়েছি। আরও দুই-তিন জায়গায় আমরা ইমারজেন্সি কাজ শুরু করবো, সেই নির্দেশনাও দিয়েছি।’

​নদী ভাঙন কবলিত অন্যান্য অঞ্চলের কথা উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে এই নদীর অপর প্রান্তে সেখানে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর, হাতিয়া—নদী ভাঙন এলাকা। সেখানে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে।’

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমাদের অনেকগুলো প্রকল্পও রয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের মানুষের যে প্রত্যাশা, যে পার্মানেন্ট স্থায়ী কিছু কাজ করা দরকার—সে অনুযায়ী আমরা এই এলাকায় যেখানে যেটা প্রয়োজন, সেখানে আমরা পার্মানেন্ট ওয়ার্ক হিসেবে কিছু ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সে অনুযায়ী স্টাডি রিপোর্ট কমপ্লিট হওয়ার পর চেষ্টা করবো আগামী অর্থবছরই এই কাজগুলোকে সমাপ্ত করার জন্য। সামনে যখন বর্ষা শেষ হবে, তখন আমাদের প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু হবে। সে অনুযায়ী আমরা আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।’

​পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন: স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

এসএন 

মন্তব্য করুন