বিটিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ?
ছবি: সংগৃহীত
১১:৫২ পিএম | ১৮ মে, ২০২৬
১১ জুন বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু। অথচ বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমী খেলা দেখতে পারবেন কি-না এটি এখনো অনিশ্চিত।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জাতীয় দলের বিদেশি কোচ ও ঘরোয়া ফুটবল ইস্যু নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘সরকারের তথ্যমন্ত্রী আমাকে ডেকেছেন যে, আমরা তো অফকোর্স খেলা দেখাতে চাই, ফ্যানদেরকে তো এখানে বঞ্চিত করতে পারবো না। আমাকে ম্যান্ডেট দেয়া হয়েছে যে বিটিভির সাথে বসে কীভাবে বিটিভিকে রাইটসটা এনে দেয়া যায় যেখানে এটলিস্ট বিটিভির কোনো নিজস্ব তহবিল থেকে কোনো ফাইনান্সিয়াল খরচ হবে না। এখন এটাকে অ্যাড সেল করে হোক, রিসেল করে হোক, সেইসব বুদ্ধি আমরা বের করব। বিটিভির মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করব নেগোশিয়েট করতে প্রাইজটাকে আরও কমিয়ে আনার জন্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডেফিনেটলি সব রকমের কাজ চলছে সব রকমের প্রক্রিয়া আমাদের যাচ্ছে। কারণ অনেক কোটেশন দরকার পড়ছে এখানে অ্যাজ আই সেড আমাদের প্রাইভেট একটা কোম্পানি জড়িত আছে, আমাদের গভমেন্ট এখন জড়িত আছে, বিটিভি জড়িত আছে। এখন আমি বাই পোস্ট অব প্রেসিডেন্ট জড়িত হয়ে গিয়েছি। সো উত্তরটা নাই যে কবে আমরা কনফার্ম করব। বাট ডেফিনেটলি খেলা দেখানো হবে।
ডেফিনেটলি একটা না একটা সলিউশন বিটিভির মাধ্যমে আমরা বের করব। আই ফিল একটা উইনিং ফর্মুলাতে আমরা কাছাকাছি চলে এসেছি।'-যোগ করেন তিনি।’

বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র ২৪ দিন বাকি। এই সময়ের মধ্যে প্রায় শত কোটি টাকার বিষয় নিষ্পত্তি করা খুব কঠিন। এ নিয়ে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘যে জায়গায় কষ্টটা হবে দামটা কি হবে। কষ্টটা হবে যে আমরা ওই প্রাইসটাকে কিভাবে একটা রিজনেবল প্রাইসে আমরা নেগোশিয়েট করে আনতে পারি এন্ড ফাইনালি ওই প্রাইসের এগেইনস্টে ইউ নো দ্রুত পেমেন্টটা করে ফিফা রাইটসটাকে আমরা সিকিউর করতে পারি। সো টাইম ইজ দ্য চ্যালেঞ্জ এন্ড প্রাইস ইজ দ্য চ্যালেঞ্জ। বাট নো ওয়ে ট্রান্সপারেন্সিতে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ আসবে আমরা এটা কনফিডেন্টলি বলতে পারি।’
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে বিটিভি প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয় করেছিল। সেই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এটা আবারও ঘুরে ফিরে এসেছে, ‘রাইটস এন্ড রাইটস পেমেন্টস নিয়েও মানে কিছু কোয়েশ্চেনেবল ট্রানজেকশন হয়েছিল। তো আমাদের বর্তমান মন্ত্রী মহোদয় এবং আমাদের সরকার কোনোভাবে চাচ্ছেন না কোনো নন ট্রান্সপারেন্ট জায়গায় ঢুকতে বা কোনো জায়গায় ঢুকতে যেখানে আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বাট অফ কোর্স মানে প্রাইস ম্যাটার করে এন্ড প্রাইসের চেয়ে বেশি ট্রানজেকশনের ট্রান্সপারেন্সিটাও সবচেয়ে বেশি ম্যাটার করে।’
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বেশ কষ্ঠসাধ্য কাজ। এরপরও সেটা তেমন চাপ মনে করছেন না বাফুফে সভাপতি, ‘ট্রান্সপারেন্সি এনশিওর করা ডিফিকাল্ট একদমই হবে না। আমাদের বর্তমান সরকার আমাদের যে ক্রীড়ামন্ত্রী এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব কিন্তু ডে ওয়ান থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যেন প্রত্যেকটি সেক্টরে বাংলাদেশের ট্রান্সপারেন্সি এন্ড ওপেননেস বজায় রাখা যায়। সেম ভাবে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কিন্তু এই প্রক্রিয়াতে হায়েস্ট লেভেল অফ ট্রান্সপারেন্সি আমরা এনশিওর করতে পারবো, নো ডাউট এবাউট দ্যাট।’
এসকে/টিকে