© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

শেয়ার করুন:
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:০৬ এএম | ১৯ মে, ২০২৬
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। দিনের শুরুতে ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেলেও পরে প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে। জুন মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৬৭ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জুন মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৫৭২ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে।

সোমবার (১৮ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম উইকফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডলার সূচক দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। এটি স্বর্ণবাজারের জন্য ইতিবাচক একটি দিক। তবে বন্ডের ফলন বাড়তে থাকলে তা স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি সীমিত করতে পারে। এমনকি এটি স্বল্পমেয়াদে ধাতব বাজারে আরও মূল্যচাপ সৃষ্টি করতে পারে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ায় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বেড়েছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার আরও বাড়ানোর আশঙ্কায় সোমবার সরকারি বন্ডের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ফলন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাছে। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ ব্যয় বেড়ে গেছে।

ইরানি গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে এমন খবরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে দামের পতন দেখা গেছে। খবর প্রকাশের পর মার্কিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ ডলার কমে যায়।

রয়টার্স জানিয়েছে, বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়লেও উচ্চ সুদের হারের কারণে স্বর্ণের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। সাধারণত স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ এবং মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা দেয় এমন সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে সুদবিহীন স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়।

এদিকে, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা কমে যাওয়ায় কিছু ব্যাংক তাদের স্বল্পমেয়াদি স্বর্ণের দামের পূর্বাভাস কমাতে শুরু করেছে। বড় ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যান ২০২৬ সালের জন্য গড় স্বর্ণমূল্যের পূর্বাভাস প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৭০৮ ডলার থেকে কমিয়ে ৫ হাজার ২৪৩ ডলারে নামিয়েছে।

অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৭ দশমিক ৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৭৫ দশমিক ০৫ ডলারে উঠেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪০৪ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমেছে।

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন