© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীবগুড়া পৌরসভা বিলুপ্ত, সিটি করপোরেশন হিসেবে কার্যক্রম শুরু বুধবার থেকে

শেয়ার করুন:
বগুড়া পৌরসভা বিলুপ্ত, সিটি করপোরেশন হিসেবে কার্যক্রম শুরু বুধবার থেকে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৫২ পিএম | ১৯ মে, ২০২৬
বগুড়া সিটি করপোরেশনের (বসিক) প্রশাসক হিসেবে এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল (২০ মে) থেকেই বগুড়া পৌরসভা বিলুপ্ত হয়ে সিটি করপোরেশন হিসেবে কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলি।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বগুড়া বাংলাদেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এর আগে বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন দায়িত্বও পালন করেছেন।

মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি দীর্ঘদিনের। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিষয়টি বাস্তবায়ন করেছেন। গত ২০ এপ্রিল বগুড়া সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন করেন। পরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।

আজকে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন আনুষ্ঠানিক রূপ পেল এবং এই প্রশাসকের হাত ধরেই বুধবার থেকেই বগুড়া পৌরসভা বিলুপ্ত হয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন রূপে কার্যক্রম শুরু হবে। আগামীকাল থেকে ইনশাল্লাহ দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হবে বগুড়া।

এখন এটি বগুড়ার উন্নয়নে কী প্রভাব ফেলবে? এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাভাবিক কারণে পৌরসভা থেকে একটি শহর যখন সিটি করপোরেশনে রূপান্তরিত হয় সেখানে নাগরিক সেবা অবশ্যই বাড়বে। বরাদ্দ বেশি পাবে এবং সেই সিটি করপোরেশনের নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা থাকে, আলাদা প্রকল্প নেওয়ার ক্ষমতা থাকে, রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্ট উন্নয়ন, ওভারপাস, উড়াল সেতু—এ ধরনের বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের এখতিয়ার সিটি করপোরেশন আইনে দেওয়া রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়া সিটি করপোরেশনটি অনেক বড় একটি সিটি করপোরেশন। বগুড়া পৌরসভাটি ২১ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখের কাছাকাছি এবং আয়তনের দিক থেকে এটি রাজশাহী, খুলনা, সিলেটের চাইতে দ্বিগুণ।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের পরে এখানে আমরা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, বগুড়ার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবার জন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় একটি ওয়াসা হবে এবং রাজউকের আদলে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আদলে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবনা ডিও লেটার প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আমরা পাঠিয়েছি

বগুড়া সিটি করপোরেশন এলাকাকে আমরা বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় নিয়ে আসছি। যেটা সংক্ষেপে নাম হবে (বহুক) বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

নবনিযুক্ত প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বগুড়াকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তোলার আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে যে বরাদ্দ পাওয়া যাবে, তা দিয়ে পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ শুরু করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এসএন 

মন্তব্য করুন