মালয়েশিয়ায় আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনার মাঝেই রাজার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত
০৫:০২ পিএম | ১৯ মে, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার মধ্যেই দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিমের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সোমবার (১৮ মে) জাতীয় প্রাসাদ ‘ইস্তানা নেগারা’য় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সময় সরকারের মুখ্য সচিব উপস্থিত থাকলেও বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে রাজপ্রাসাদের এক কর্মকর্তা একে ‘নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৮ সালের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান কোন্দল নিরসন এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রত্যাশিত বেশ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনকে সমন্বয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ওপর চাপ বাড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই চাপ ও বর্তমান জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন ডাকার জন্য রাজার সম্মতি চাইতে পারেন।
এর আগে গত ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক হুঁশিয়ারিতে বলেছিলেন, ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরীণ বিভেদ যদি আরও বাড়তে থাকে, তবে তিনি আগাম নির্বাচন ডাকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।
মূলত আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন ‘পাকাতান হারাপান’ (পিএইচ) জোট, এক সময়ের প্রভাবশালী দল ইউনাইটেড মালয়েশিয়ান ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের (ইউএমএনও) নেতৃত্বাধীন ‘বারিসান নাসিওনাল’ (বিএন) জোট এবং আরও কয়েকটি ছোট দলের সমন্বয়ে বর্তমান জটিল এই জোট সরকার গঠিত হয়েছে।
গত ১৬ মে বারিসান নাসিওনাল জোট ঘোষণা দেয়, তারা জোহর রাজ্যের আসন্ন নির্বাচনে পাকাতান হারাপানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা ছাড়াই এককভাবে সবকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এই ঘোষণার পরই জোটের ফাটল প্রকাশ্যে আসে, যার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার জানান যে তার দল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
এর পাশাপাশি, সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী রাফিজি রামলি ও নিক নাজমি নিক আহমদ আনোয়ারের দল ‘পিপলস জাস্টিস পার্টি’ ত্যাগ করে একটি ছোট দলে যোগ দেওয়ায় ক্ষমতাসীন জোটে এখন বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার মধ্যেই দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিমের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সোমবার (১৮ মে) জাতীয় প্রাসাদ ‘ইস্তানা নেগারা’য় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সময় সরকারের মুখ্য সচিব উপস্থিত থাকলেও বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে রাজপ্রাসাদের এক কর্মকর্তা একে ‘নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৮ সালের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান কোন্দল নিরসন এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রত্যাশিত বেশ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনকে সমন্বয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ওপর চাপ বাড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই চাপ ও বর্তমান জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন ডাকার জন্য রাজার সম্মতি চাইতে পারেন। এর আগে গত ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক হুঁশিয়ারিতে বলেছিলেন, ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরীণ বিভেদ যদি আরও বাড়তে থাকে, তবে তিনি আগাম নির্বাচন ডাকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।
মূলত আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন ‘পাকাতান হারাপান’ (পিএইচ) জোট, এক সময়ের প্রভাবশালী দল ইউনাইটেড মালয়েশিয়ান ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের (ইউএমএনও) নেতৃত্বাধীন ‘বারিসান নাসিওনাল’ (বিএন) জোট এবং আরও কয়েকটি ছোট দলের সমন্বয়ে বর্তমান জটিল এই জোট সরকার গঠিত হয়েছে।
গত ১৬ মে বারিসান নাসিওনাল জোট ঘোষণা দেয়, তারা জোহর রাজ্যের আসন্ন নির্বাচনে পাকাতান হারাপানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা ছাড়াই এককভাবে সবকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
এই ঘোষণার পরই জোটের ফাটল প্রকাশ্যে আসে, যার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার জানান যে তার দল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
এর পাশাপাশি, সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী রাফিজি রামলি ও নিক নাজমি নিক আহমদ আনোয়ারের দল ‘পিপলস জাস্টিস পার্টি’ ত্যাগ করে একটি ছোট দলে যোগ দেওয়ায় ক্ষমতাসীন জোটে এখন বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এসএ/টিএ