মধ্য এশিয়ার খনিজ সম্পদে পশ্চিমাদের নজর, উদ্বেগ প্রকাশ রাশিয়ার
ছবি: সংগৃহীত
১০:২৭ এএম | ২০ মে, ২০২৬
মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর খনিজ সম্পদ ও দুর্লভ মৃত্তিকার (রেয়ার আর্থ এলিমেন্ট) ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ক্রমবর্ধমান আগ্রহ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল গালুজিন রুশ গণমাধ্যম ‘ইজভেস্তিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই উদ্বেগের কথা জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং রাশিয়ার সীমান্তের কাছে পশ্চিমা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি কৌশল।
ঐতিহাসিকভাবেই মধ্য এশিয়ার পাঁচ দেশ- কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানকে রাশিয়া নিজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা প্রভাব বলয়ের এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনও এই অঞ্চলের দিকে ব্যাপকভাবে নজর দিচ্ছে। বিশ্বজুড়ে আধুনিক প্রযুক্তির জন্য দুর্লভ মৃত্তিকা ও খনিজ সম্পদ অত্যন্ত জরুরি।
বর্তমানে এই বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করে চীন। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো চীনের ওপর থেকে তাদের একক নির্ভরতা কমাতে মরিয়া হয়ে বিকল্প বাজার খুঁজছে। আর এই বিকল্প হিসেবে খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ মধ্য এশিয়া তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের নেতাদের স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সেই সম্মেলনে তিনি খনিজ সম্পদকে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। নতুন বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মার্কিন সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরো সুরক্ষিত ও বিস্তৃত করার বিষয়েও জোর দেন তিনি।
পশ্চিমাদের এই সক্রিয়তা মধ্য এশিয়ায় পরাশক্তিগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন) মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং প্রতিযোগিতাকে আরো বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : রয়টার্স
এমআর/এসএন