© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরান যুদ্ধ ‘চিরস্থায়ী’ হবে না : জেডি ভ্যান্স

শেয়ার করুন:
ইরান যুদ্ধ ‘চিরস্থায়ী’ হবে না : জেডি ভ্যান্স

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৩ পিএম | ২০ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মঙ্গলবার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধীনীতি কোনো ‘দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ’ হবে না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত কাজ শেষ করে সেনাদের দেশে ফিরিয়ে আনবে।

হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে প্রায় এক ঘণ্টা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ভ্যান্স। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। আলোচনায় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি রক্ষা করেন এবং তুলনামূলক শান্তভাবে বক্তব্য দেন।

তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল হামলায় পুলিশের ওপর হামলার দায়ে দণ্ডিতদের সরকারি অর্থে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেননি।

পাশাপাশি পোল্যান্ডে মার্কিন সেনা কমানোর বিষয়ে ইউরোপের উদ্বেগকে ‘অতিরঞ্জিত’ বলেন এবং ট্রাম্পের শেয়ার কেনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভ্যান্স বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান না হলে পরিস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে, তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘এটা কোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ নয়। আমরা কাজ শেষ করে ঘরে ফিরব।

হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংরুমকে এই মাসে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিক মঞ্চ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও সেখানে বক্তব্য দিয়েছিলেন। ভ্যান্স বলেন, ‘মার্কো ঠিক বলেছেন, এখানে সত্যিই বিশৃঙ্খলা চলছে।’

এক সাংবাদিক তাকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রার্থী বলা হলে তিনি তা দ্রুত অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী নই, আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট, আমি আমার কাজটাই করতে চাই।’

৪১ বছর বয়সী জেডি ভ্যান্স সাবেক মেরিন এবং দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি যুদ্ধে জড়ানোর বিরোধী। তিনি বলেন, ইরান সংকট চলতে থাকলে তা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ রিপাবলিকান নেতৃত্বের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের বড় অংশ ব্যাহত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এতে রিপাবলিকানদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

আরআই/ এসএন

মন্তব্য করুন