উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে প্রশ্ন, টাইমসের মোজো তাসবিরের উপর হামলা
ছবি: সংগৃহীত
১১:৫১ পিএম | ২০ মে, ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের কালশী বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের হামলার শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ টাইমসের মোবাইল জার্নালিস্ট তাসবির ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের
নেহাল আহমেদ প্রান্ত
বুধবার বিকেলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের পরিচালিত অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিকেল পাঁচটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা সতর্কবার্তা ছাড়াই বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি উচ্ছেদ শুরু করলে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এ সময় ঘটনাস্থলে ফেসবুক লাইভসহ সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন বাংলাদেশ টাইমসের মোবাইল জার্নালিস্ট তাসবির ইকবাল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ ও ক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরতে গিয়ে সাংবাদিকেরা সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান, কেন কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য সাংবাদিক তাসবির ইকবালের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। এ সময় তার ফেসবুক লাইভ চলমান ছিল।
উপস্থিত কয়েকজন জানান, সহকর্মীদের বাধা উপেক্ষা করেই তাসবিরকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা সরিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়।
ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকেরা জানান, তাসবির ইকবালকে হেনস্তা হতে দেখে এগিয়ে যান বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডিজিটালের সিনিয়র রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্ত। এ সময় তিনিও ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই বলছেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য উদ্বেগজনক।
ইউটি/টিএ