কোরবানি না দিয়ে আকিকা করা যাবে?
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১১ এএম | ২১ মে, ২০২৬
কোরবানি ও আকিকা দুটি আলাদা আলাদা বিধান। এই দুই বিধানের মধ্যে কোরবানি আদায় করা ওয়াজিব। আকিকা দেওয়া মুস্তাহাব। কোরবানিকে আকিকার ওপর প্রাধান্য দেওয়া ঠিক নয়। ঈদুল আজহার দিন কোরবানি করতে না পারলে ঈদের পর দুই দিন পর্যন্ত তা আদায় করা যায়। তাই সামর্থ্যবাদের জন্য এই তিনদিনের কোনো একদিন কোরবানি করা ওয়াজিব।
সন্তান জন্মের সপ্তম দিন আকিকা করা মুস্তাহাব। সপ্তম দিন আকিকা করতে না পারলে পরে অন্য কোনো সময় আকিকা করতে পারবেন। তাৎক্ষণিক আকিকা করতে না পারলে কোনো গুনাহ হবে না। কিন্তু কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার পর তা আদায় না করলে গুনাহ হবে।
কোনো ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হওয়ার কারণে যদি কোরবানি আদায় করতে না চায় তাহলে এক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো— ঋণের পরিমাণের বাইরে তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ আছে কিনা। যদি ঋণ বাদ দিয়ে ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়, তাহলে তার উপর কোরবানি করা আবশ্যক।
নেসাব বলতে বুঝানো হয়, কোরবানির দিনসমূহে (অর্থাৎ, ১০,১১ ও ১২ জিলহজ) কোন ব্যক্তি যদি আবশ্যকীয় প্রয়োজন অতিরিক্ত সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমমূল্য পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক।
কোরবানির পরিবর্তে আকিকা না করে বরং কোরবানির পশুতে আকিকার অংশ রাখা যেতে পারে। এতে কোরবানি ও আকিকা দুটিই আদায় হবে। কোরবানির গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে শরিক হওয়া যায়। এক্ষেত্রে ছেলের জন্য দুই অংশ আর মেয়ের জন্য এক অংশ দিতে হবে।
এবি/টিএ