© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানের সহায়তায় একদিনে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে ২৬ জাহাজ

শেয়ার করুন:
ইরানের সহায়তায় একদিনে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে ২৬ জাহাজ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৩৩ এএম | ২১ মে, ২০২৬
ইরানের সহায়তায় একদিনেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে ২৬টি জাহাজ অতিক্রম করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে স্বাভাবিক চলাচল পুনরায় চালুর আলোচনা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে বলে জানায় তারা। খবর আল-জাজিরার।

বুধবার (২০ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ আইআরজিসির এক বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আইআরজিসি নৌবাহিনীর অনুমতি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে, ইরানের পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ (পিজিএসএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হরমুজ প্রণালির একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে একটি নিয়ন্ত্রিত সামুদ্রিক অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়, যেখানে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।

কর্তৃপক্ষ জানায়, নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি ইরানের কুহ-ই মোবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহর দক্ষিণাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়া পশ্চিম প্রবেশপথে কেশম দ্বীপের প্রান্ত থেকে উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত এলাকা এর আওতায় থাকবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্তানির প্রায় পাঁচভাগের একভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান এই নৌপথ বন্ধ করে দেয়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে, যা দেশটির প্রধান আয়ের উৎস তেল রপ্তানিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।

বুধবার জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সতর্ক করে বলেছে, এই অবরোধ আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে বৈশ্বিক খাদ্যমূল্যের গুরুতর সংকট তৈরি করতে পারে। সংস্থাটি পরিস্থিতিকে ব্যবস্থাগত কৃষি-খাদ্য ধাক্কার সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

তারা আরও বলেন, সংকটটি ধাপে ধাপে বিস্তৃত হচ্ছে জ্বালানি, সার, বীজ, কম উৎপাদন, পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং শেষে খাদ্য মূল্যস্ফীতি।

এদিকে বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ার কথা বললেও চুক্তি না হলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। অপরদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধে ফিরে গেলে আরও অনেক চমক দেখা যাবে।


এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন