© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে টোলের বিরোধিতা করে: ট্রাম্প

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে টোলের বিরোধিতা করে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩০ এএম | ২২ মে, ২০২৬
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর যেকোনো ধরনের টোল আরোপের বিরোধিতা করে এবং তিনি অঙ্গীকার করেছেন যে, ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেয়া হবে না।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা টোল চাই না। এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ।’

ট্রাম্প দাবি করেছেন, জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

ভবিষ্যতের কোনো ব্যবস্থার অধীনে ইরান তার উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ধরে রাখতে পারবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমরা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাব, আমরা তা পাবই। যদিও আমাদের এর প্রয়োজন নেই। আমরা এটা চাইও না। তবে, পাওয়ার পর আমরা সম্ভবত তা ধ্বংস করে দেব, কিন্তু আমরা তাদের এটা পেতে দেব না।’

এ সময় ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এখন আমরা আলোচনা করছি, এবং দেখা যাক কী হয়, কিন্তু আমরা যেকোনো উপায়ে এটা আদায় করবই। তারা পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।’

ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে সম্ভাব্য টোল নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনার খবর যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ করছে। একই সাথে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই কৌশলগত জলপথে সামুদ্রিক যান চলাচলের ওপর মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য টোল আদায়কে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা গ্রহণযোগ্য হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন: হ্যাঁ, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি; আমরা এ ব্যাপারে শুনছি।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে একটি কার্যকর অবরোধ আরোপ করেছে।

‘আপনারা জানেন, আমাদের অবরোধের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীর ওপর আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই অবরোধ শতভাগ কার্যকর হয়েছে। কেউই এর ভেতর দিয়ে যেতে পারেনি। এটা একটা ইস্পাতের দেয়ালের মতো।’ বলেন ট্রাম্প।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে। তেহরান এর জবাবে ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, কিন্তু ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। পরে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর অবরোধ বজায় রেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়িয়ে দেন।

সূত্র: আনাদোলু

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন