‘পোশাক ধার করে শুটিং করেছিলেন মাধুরী’
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৩৫ পিএম | ২২ মে, ২০২৬
১৯৮৪ সালে ‘আবোধ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হয় মাধুরী দীক্ষিতের। কিন্তু তার রুপালি জগতের শুরুটা ভালো হয়নি। অথচ সেই তিনি বক্স অফিস কাঁপানো সিনেমা আর চোখধাঁধানো নাচে ভক্তদের মন জয় করে নেন। ওই যে, কথায় আছে প্রদীপের নিচে অন্ধকার। সেই আলোর পেছনের অন্ধকারের অধ্যায়টি অনেকেরই অজানা। আজকের এই গ্ল্যামারাস রানির ক্যারিয়ারের শুরুটা তাই মোটেই ভালো ছিল না। কারণ শুরুর পরে একের পর এক সিনেমা ফ্লপ গেছে।
কিছু ব্যর্থ সিনেমার মুখোমুখি হতে হয় অভিনেত্রীকে। এমনই এক কঠিন সময়ে একটি সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি, যেখানে চরম অর্থকষ্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিল পুরো টিমকে। এমনকি সিনেমার প্রযোজকের কাছে নায়িকার মেকআপ বা পোশাকের ন্যূনতম কোনো বাজেট ছিল না। শেষ পর্যন্ত সহ-অভিনেতার স্ত্রীর পোশাক ধার করে শুটিং শেষ করতে হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিতকে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ‘ধক ধক গার্ল’খ্যাত বলি অভিনেত্রী সেই সংগ্রামের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শেখর সুমন। অভিনেত্রী রেখার সঙ্গে ‘সংসার’ সিনেমায় কাজ করার পর মাধুরী একটি নতুন সিনেমার প্রস্তাব পান। সেই সিনেমার প্রযোজক সারভান সিং রাহুল তাকে জানান, মাধুরী দীক্ষিত নামে এক নতুন মেয়ে এ সিনেমার নায়িকা।
প্রযোজককে সঙ্গে নিয়ে অভিনেত্রীর বাড়িতে হাজির হন শেখর সুমন। প্রথম দেখাতেই মাধুরীর চোখধাঁধানো সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যান শেখর এবং তাৎক্ষণিকভাবে সিনেমাটিতে অভিনয় করতে রাজি হন তিনি।
শেখর সুমন বলেন, সেই ছবির প্রযোজকের বাজেট ছিল খুবই কম। এতটাই টানাপোড়েন ছিল যে, তারা অনুরোধ করেছিলেন সিনেমার শুটিং যেন আমাদের বাড়িতেই করা হয়।
তিনি বলেন, সেই সময় মাধুরীর কাছে যাতায়াতের জন্য ট্যাক্সি ভাড়ার টাকাও ছিল না। তাই প্রতিদিন সকালে শেখর সুমন নিজে তার স্কুটারে করে মাধুরীকে বাড়ি থেকে শুটিং সেটে নিয়ে আসতেন এবং শুটিং শেষে আবার বাড়ি পৌঁছে দিতেন।
শেখর সুমন বলেন, প্রযোজকের মেকআপ আর্টিস্ট বা কস্টিউম ডিজাইনার রাখার মতো সামর্থ্য ছিল না। তাই আমার স্ত্রী অলকা নিজ দায়িত্বে মাধুরীর মেকআপ করে দিতেন। শুধু তাই নয়, সিনেমার বহু দৃশ্যে মাধুরীকে আমার স্ত্রী অলকার ব্যক্তিগত পোশাক পরে অভিনয় করতে হয়েছিল।
পিআর/টিকে