© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কোরবানির ঈদেও দেশে আসতে পারবেন না কুয়েত প্রবাসীরা

শেয়ার করুন:
কোরবানির ঈদেও দেশে আসতে পারবেন না কুয়েত প্রবাসীরা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:১৯ এএম | ২৩ মে, ২০২৬
সারা বছর কঠোর পরিশ্রমে ব্যস্ত থাকার পর প্রতি বছর কিংবা দুই-তিন বছর পর পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশে ফেরেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকা এবং নির্দিষ্ট কিছু ফ্লাইটের টিকিটের চড়া দামের ফলে এবার ভিন্ন এক সংকটে পড়েছেন তারা। রমজানের ঈদের পর এবার আসন্ন কোরবানির ঈদেও প্রিয়জনদের সঙ্গে উৎসব পালন থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন অসংখ্য কুয়েত প্রবাসী।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লাইট বন্ধ থাকার পর বিকল্প হিসেবে দাম্মাম হয়ে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে কুয়েত এয়ারলাইন্স ও জাজিরা এয়ারলাইন্স।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সীমিত পরিসরে কুয়েত-ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করে এই দুটি বিমান সংস্থা।

এদিকে ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এর মধ্যেই অন্য এয়ারলাইনস পরিচালনা অনুমোদন না পেলে কুরবানির ঈদ করা সম্ভব হবে না টিকেট কেটে রাখা অনেক প্রবাসীর।

কুয়েত এয়ারলাইন্স বাতিল হওয়া টিকিটগুলো পুনরায় বুকিং করার সুযোগ দিলেও যাত্রীদের তুলনায় ফ্লাইটের সংখ্যা অনেক কম। ফলে ঈদের আগে অসংখ্য প্রবাসী টিকিট রি-বুকিং করতে পারছেন না।

এদিকে নতুন টিকিটের চড়া দাম এবং অনেকের ছুটি বাতিল হয়ে যাওয়ায় টিকিটের টাকা ফেরত নিতে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোতে ভিড় করছেন প্রবাসীরা। কুয়েত ও জাজিরা এয়ারলাইন্স ছাড়া অন্য কোনো বিমানকে কুয়েত সরকার অনুমোদন না দেওয়ায় অন্যান্য এয়ারলাইন্সের টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের বুকিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানবন্দরটির সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে এবং এটি সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে কুয়েত সিভিল এভিয়েশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে বাংলাদেশ, ভারত, মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থাগুলো।

নতুন সাজ ও নতুন উদ্যমে বিমানবন্দরের সেবা প্রদানকারী এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আগামী জুন মাস থেকে পুরোপুরিভাবে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন। একই সঙ্গে যাত্রীদের যেকোনো ধরনের হয়রানি, অনিয়ম বা অভিযোগ সরাসরি ‘সাহেল’ (Sahel) অ্যাপসের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন