মব করার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহ গিয়েছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: ছাত্রদল সম্পাদক
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৩৭ এএম | ২৩ মে, ২০২৬
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সমালোচিত এবং মব ও সংঘাত উসকে দেয়া ব্যক্তি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। ঝিনাইদহে পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির শুক্রবার (২২ মে) ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সমালোচিত, মব ও সংঘাত উসকে দেয়া ব্যক্তি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আজও (শুক্রবার) ঝিনাইদহে গিয়েছিলেন মব করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেখানে সাধারণ জনতা আজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম নিক্ষেপ করে। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সঙ্গে থাকা সন্ত্রাসীরা সাধারণ জনতাকে উদ্দেশ্য করে গুলি করার চেষ্টা করে।
অস্ত্রধারী এই দুইজন শিবিরের সন্ত্রাসী। তাদের পরিচয় নিচে দেয়া হলো-
১. সিয়াম উদ্দিন তুর্য (পাঞ্জাবি পরিহিত): পিতা জামাতের নেতা সল্টু মাস্টার (শিক্ষক, বদরগঞ্জ মাদ্রাসা)। ঠিকানা: মাস্টার পাড়া, কোর্টপাড়া, ঝিনাইদহ।
২.আশিক (টি-শার্ট পরিহিত): পিতা মৃত বাদশা, গ্রাম: কাষ্টসাগরা। তিনি শিবিরের নেতা।
অনতিবিলম্বে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে অস্ত্রধারী এই দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করার অনুরোধ জানান।
এদিকে হামলার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ‘ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে।’
তিনি লেখেন, ‘প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী) লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়। এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।’
কেএন/টিএ