© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সৌদি আরবে রপ্তানি বাড়াতে খাতভিত্তিক প্রস্তাব চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
সৌদি আরবে রপ্তানি বাড়াতে খাতভিত্তিক প্রস্তাব চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০৩ পিএম | ২৪ মে, ২০২৬
বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। তবে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, খাদ্যপণ্য এবং সৌদি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানির বড়ো সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এ সুযোগ কাজে লাগাতে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে।

রোববার (২৪ মে) সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে যে নামটি প্রতিনিধিত্ব করা হয়, সেটি হলো বাংলাদেশ। সঙ্গত কারণে দেশের ভাবমূর্তি, রপ্তানি সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

প্রবাসী কর্মীদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন। তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তি, পরিবার ও দেশ— সবাই উপকৃত হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশের জন্য বড়ো সম্পদে পরিণত হতে পারে।

প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন খাতে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, কোথায় নীতিগত সহায়তা দরকার এবং কোথায় আর্থিক বা খাতভিত্তিক সহযোগিতা দরকার— এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে। বাস্তবসম্মত প্রস্তাব পেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

বৈঠকে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার জন্য বড়ো ধরনের রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ২০২৭ সালের মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

প্রতিনিধিদল জানায়, সৌদি ভিশন-২০৩০, ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গ্রিন টেকনোলজি, পরিবেশ, মরুভূমি বনায়ন, কৃষি ও খাদ্য খাত এবং ক্ষুদ্র ঋণভিত্তিক অর্থায়নের মতো খাতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও খাতভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এমআই/এসএন

মন্তব্য করুন