© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ফুটবল নয়, নজরদারির যন্ত্র! বিশ্বকাপের বলেই ধরা পড়বে সব গোপন স্পর্শ

শেয়ার করুন:
ফুটবল নয়, নজরদারির যন্ত্র! বিশ্বকাপের বলেই ধরা পড়বে সব গোপন স্পর্শ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৫ এএম | ২৫ মে, ২০২৬
ফুটবল আর শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এটি এখন পরিণত হয়েছে একেবারে স্মার্ট সিস্টেমে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হতে যাওয়া অফিসিয়াল ম্যাচ বল ট্রিওন্ডা সেই পরিবর্তনেরই বড় উদাহরণ।

এই বল শুধু গোল করা বা পাস দেওয়ার জন্য নয়, বরং মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করার মতো এক ধরনের লাইভ ট্র্যাকিং ডিভাইস হিসেবেও কাজ করবে। খেলা চলাকালীন বলের গতি, ঘূর্ণন, অবস্থান এবং খেলোয়াড়দের প্রতিটি স্পর্শ মুহূর্তের মধ্যেই শনাক্ত করতে পারবে এটি।

অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলের ভেতরে বসানো হয়েছে ৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করে। ফলে কোনো খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করেছেন, কত জোরে কিক দিয়েছেন বা বল কোন দিকে ঘুরেছে, সবকিছুই নির্ভুলভাবে ধরা পড়বে।



এই প্রযুক্তির কারণে ভিএআর ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা এবং বলের সেন্সর একসাথে কাজ করে পুরো ম্যাচের একটি ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করবে। এতে করে অফসাইড, হ্যান্ডবল বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে।

তবে এই বল ব্যবহারে একটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। ম্যাচের আগে ট্রিওন্ডা বল সম্পূর্ণ চার্জ করতে হবে। কারণ এর ভেতরের সেন্সর ব্যাটারির মাধ্যমে চালিত হয় এবং একবার চার্জ দিলে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকে।

বলটির নকশাতেও রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনকে তুলে ধরতে তিন দেশের পতাকার রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রিওন্ডা নামটিও এসেছে তিন তরঙ্গ ধারণা থেকে, যা এই তিন দেশের প্রতীক।

ফিফার মতে, এই কানেক্টেড বল প্রযুক্তি ফুটবলের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। এটি শুধু খেলার গতি বাড়াবে না, বরং রেফারিং সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলবে। ১০৪ ম্যাচের এই বিশ্বকাপে ট্রিওন্ডা বল হয়ে উঠতে পারে মাঠের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপাদান।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া 

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন