© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রিজওয়ানকে নিয়ে বিতর্কের মাঝে ব্যাখ্যা দিলেন কোচ হেসন

শেয়ার করুন:
রিজওয়ানকে নিয়ে বিতর্কের মাঝে ব্যাখ্যা দিলেন কোচ হেসন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৫০ এএম | ২৬ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ সফরে ব্যর্থতার পর অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান; ২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে “নতুন বিকল্প” খোঁজার কথা বললেন পাকিস্তানের হেড কোচ মাইক হেসন


পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দেওয়া। অবশেষে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন পাকিস্তান পুরুষ ক্রিকেট দলের হোয়াইট-বল প্রধান কোচ মাইক হেসন। তার দাবি, দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত।


২০২৪ সালের শেষ দিকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর রিজওয়ানের নেতৃত্বে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টানা সিরিজ জিতেছিল। তবে সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরটা একেবারেই ভালো যায়নি তার জন্য। তিন ম্যাচের সিরিজে মাত্র ৫৪ রান করেন তিনি, গড় ছিল ১৯.৩৩। এরপরই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের হোম ওয়ানডে সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

রিজওয়ানের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন রোহাইল নাজির। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া মুহাম্মদ গাজি ঘৌরিও দলে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন।




রিজওয়ানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেক সমর্থকই মনে করেন, ওয়ানডেতে ৯৪ ইনিংসে ২ হাজার ৯৭৯ রান করা একজন অভিজ্ঞ ব্যাটারকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ক্যারিয়ার গড়ও ৪০.৮০।

তবে কোচ হেসনের ব্যাখ্যা ভিন্ন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পাকিস্তান দল এখন বিভিন্ন সমন্বয় ও বিকল্প যাচাই করছে।

হেসন বলেন, “বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আমরা কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়কে সুযোগ দিয়েছিলাম। তখনও রিজওয়ান দলে ছিল। কিন্তু এই সিরিজে এসে আমরা আরও কিছু পরিবর্তন করেছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “১৮ মাস পর বিশ্বকাপ। তাই আমাদের দেখতে হবে কোন বিকল্পগুলো কার্যকর হতে পারে। এটা নির্বাচক প্যানেলের সিদ্ধান্ত।”

রিজওয়ানের অধিনায়কত্ব হারানোর প্রসঙ্গেও স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন হেসন। ২০২৫ সালের আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারার পরই তাকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়।

এ নিয়ে পাকিস্তান কোচ বলেন, “ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রিজওয়ান অধিনায়ক ছিল। কিন্তু সিরিজ শেষে আমরা মনে করেছি পরিবর্তন প্রয়োজন। কারণ ১২ মাসে আমরা মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছিলাম। দল প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেনি।”

টি-টোয়েন্টি দল থেকেও রিজওয়ান অনেক আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন হেসন। তার ভাষায়, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সে টি-টোয়েন্টি দলে ছিল না, অধিনায়কও ছিল না।”

সব মিলিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন স্পষ্টভাবেই পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। আর সেই পরিবর্তনের বড় শিকার হয়েছেন দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।

টিজে/টিকে

মন্তব্য করুন