গুজরাটকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে বেঙ্গালুরু
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৩৮ এএম | ২৭ মে, ২০২৬
প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার-বিরাট কোহলির দল। গুজরাট এখনও বাদ পড়েনি। তারা আরেকটি সুযোগ পাবে ফাইনালে যাওয়ার, খেলতে হবে এলিমিনেটরে বিজয়ী দলের বিপক্ষে।
ধর্মশালায় প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। জবাবে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট। ২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল গুজরাট। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার সাজঘরে ফেরত যান। জস বাটলার ১১ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে কিছুটা এগিয়ে দিয়ে যান।
এরপর ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে গুজরাট। ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারানোর পরই হার নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন রাহুল তেয়াতিয়া।

মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তেয়াতিয়া। তবে সাত নম্বরে সুপার সাব নেমে তার ৪৩ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ৬৮ রানের ইনিংসটি দলের কোনো কাজে আসেনি। ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয় গুজরাট। এর আগে বিরাট কোহলি-রজত পাতিদারের ব্যাটে চড়ে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড় গড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
ধর্মশালায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিলেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৭ বলে ১৯ করে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।
তবে বিরাট কোহলি ব্যাট চালিয়ে খেলতে থাকেন। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৭৬ রান তোলে বেঙ্গালুরু। আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (২৮২) খেলার রেকর্ড গড়া কোহলি হাফসেঞ্চুরির কাছাকাছি এসে আউট হন।
২৫ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় ৪৩ রান আসে কোহলির ব্যাট থেকে। দেবদূত পাডিক্কেলের সঙ্গে ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন তিনি। পাডিক্কেল করেন ১৯ বলে ৩০ রান।
এরপর ৪৭ বলে ৯৫ রানের মারকুটে জুটি গড়েন রজত পাতিদার আর ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২৮ বলে ৪৩ করে আউট হন ক্রুনাল। কিন্তু, পাতিদার একের পর এক ছক্কা হাঁকাতে থাকেন। ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। ১০ ওভার ১ বলে ১০০ পার করা বেঙ্গালুরু দুইশর ঘর ছোঁয় ১৬ ওভার ৪ বলেই। শেষ পর্যন্ত পাতিদার সেঞ্চুরি পাননি। ৩৩ বলে ৫ চার আর ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন। তবে, দলের সংগ্রহ বড় করার কাজটি করে দিয়েছেন ঠিকই।
গুজরাট টাইটান্সের জেসন হোল্ডার আর কাগিসো রাবাদা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
এমআই/টিএ