© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিক্রি না হওয়ায় ‘জায়েদ খান’-কে নিজেই কোরবানি করবেন মালিক

শেয়ার করুন:
বিক্রি না হওয়ায় ‘জায়েদ খান’-কে  নিজেই কোরবানি করবেন মালিক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৪৮ পিএম | ২৭ মে, ২০২৬
লালমনিরহাটে কোরবানির ঈদকে ঘিরে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘জায়েদ খান’ নামের এক বিশালাকৃতির ষাঁড়। আকার-আকৃতি আর সৌন্দর্যের কারণে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেললেও শেষ পর্যন্ত আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় সেটি বিক্রি হয়নি। ফলে প্রিয় এই ষাঁড়টি এবার নিজেই কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিক অ্যাডভোকেট মজমুল প্রামাণিক।

জেলার আদিতমারী উপজেলার দৌলজোর এলাকার এই খামারটি দীর্ঘদিন ধরেই কোরবানির পশু পালন করে আসছে। তবে এবারের ঈদে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ‘জায়েদ খান’ নামের এই ষাঁড়টি। সাদা-কালো মিশ্র রঙের বার্মা জাতের এই গরুটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, স্বভাবেও তেমনই কিছুটা রাগী বলে জানা গেছে।

খামার সূত্রে জানা যায়, উন্নত জাতের প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই ষাঁড়টিকে দীর্ঘ সাত বছর ধরে অত্যন্ত যত্নসহকারে লালন-পালন করা হয়েছে। দেশীয় খাবার খাইয়ে বড় করা এই গরুটির দেখভালে সার্বক্ষণিকভাবে দুজন কর্মী নিয়োজিত ছিলেন। বিশাল দেহের কারণে এটিকে হাটে না নিয়ে খামার থেকেই বিক্রির পরিকল্পনা ছিল।

মাপজোক অনুযায়ী, ষাঁড়টির উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট এবং দৈর্ঘ্য প্রায় নয় ফুট। বুক ও পেটের ঘের ছয় ফুটের কাছাকাছি হওয়ায় দূর থেকেই এটি নজর কাড়ে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের। খামারে আসা ব্যাপারীরা ধারণা করছেন, জবাই করলে এই গরু থেকে প্রায় ২৬ থেকে ২৭ মণ মাংস পাওয়া যেতে পারে।

তবে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিক্রির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন মালিকপক্ষ। খামারের স্বত্বাধিকারী মজমুল প্রামাণিকের ছোট ভাই জানান, দীর্ঘ সময় ধরে যত্ন করে বড় করা হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় তারা এবার নিজেরাই এই ষাঁড় কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সব মিলিয়ে লালমনিরহাটের ‘জায়েদ খান’ শুধু একটি কোরবানির পশু নয়, বরং স্থানীয়ভাবে আলোচনার অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে এই ঈদে।


এসএ/এসএন

মন্তব্য করুন