© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিহত ৬ শিশুর ময়নাতদন্ত হয়নি কেন জানালেন স্বাস্থ্যের ডিজি

শেয়ার করুন:
আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিহত ৬ শিশুর ময়নাতদন্ত হয়নি কেন জানালেন স্বাস্থ্যের ডিজি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০৩ পিএম | ২৮ মে, ২০২৬

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে নিহত ছয় শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিভাবকরা চাননি বলেই মরদেহগুলো পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এই কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত মানবিক একটা বিষয়। মারা যাওয়া সব নবজাতকের বয়স এক-দুদিন হয়েছিল। ফলে অভিভাবকরা কেউ তাদের ময়নাতদন্তের জন্য রাজি হননি। যেহেতু তারা চাননি তাই ঘটনার তদন্ত কমিটিকে বিষয়টি জানিয়েছি। এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বিধায় গতকাল বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলাম।’

৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কমিটি পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। অন্যান্য যে আলামত রয়েছে, সেসব বিষয় তারা খতিয়ে দেকবেন। এছাড়া একাধিক ল এনফোর্স এজেন্সিও কাজ করেছে।’

আগামী তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন পাবেন বলেও আশা ব্যক্ত করেন প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্য অধিদফতর যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করাতে পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় নবজাতকের মরদেহ তাদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় একজন নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

জানা যায়, হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল ১১ জন মা ও ছয় শিশু। মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাতে ঠান্ডা অনুভব করায় এক মা নার্সকে এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেছিলেন। সেই অনুযায়ী নার্সও প্রায় এক ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখেন। কিন্তু পরে গরম লাগায় আবার এসি চালু করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে দুই নবজাতক। তাদের নিতে বলা হয় এনআইসিইউতে। ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরে সকালে একে একে ছয় নবজাতকই মারা যায়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের এসি এক ঘণ্টা বন্ধ থাকায় মারা গেছে কোমলমতি শিশুরা। স্বজনরা এর জন্য হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের দায়িত্ব অবহেলাকে দুষছেন। এ ঘটনায় এরইমধ্যে গঠন করা হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

এসএন 

মন্তব্য করুন