© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৮ ঘণ্টা বললেও, ১২ ঘণ্টাতেও সরেনি ঢাকার কোরবানি পশুর বর্জ্য

শেয়ার করুন:
৮ ঘণ্টা বললেও, ১২ ঘণ্টাতেও সরেনি ঢাকার কোরবানি পশুর বর্জ্য

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১০ পিএম | ২৯ মে, ২০২৬
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে সরানোর কথা থাকলেও কথা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ৮ ঘণ্টায় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি দিলেও শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

ঈদের পরদিন শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সরেজমিনে রাজধানীর দুই সিটির মোট ২৯টি জায়গায় বর্জ্য পড়ে থাকার দৃশ্য চোখে পড়ে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটির ১৮টি এবং দক্ষিণ সিটির ১১টি স্থান রয়েছে। এসব স্থানে বর্জ্য স্তূপ হয়ে জমে আছে এবং কোথাও কোথাও পশুর লেজ, খুর, আংশিক চামড়া, শিং, ভুঁড়ি, খুলি ও রক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এর পাশাপাশি মাংস কাটার চাটাই এবং পশুর খাদ্য হিসেবে আনা খড়-ভুসিও রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন মিরপুর-১১, সাংবাদিক আবাসিক এলাকা, মিরপুর ১০/ডি, সেনপাড়া পর্বতা, বেগম রোকেয়া সরণির পূর্ব মণিপুর, শাহজাদপুর এবং গুলশান ও বনানীর বেশ কয়েকটি সড়কে কোরবানির বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন ধানমন্ডি, জিগাতলা, হাজারীবাগ, গণকটুলী, চকবাজার, বকশীবাজার এবং নাজিরাবাজার এলাকার বিভিন্ন সড়কেও বর্জ্যের স্তূপ পাওয়া গেছে।

তবে ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণের দাবির সঙ্গে মাঠপর্যায়ের এই বাস্তব চিত্রের সুস্পষ্ট অমিল পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম দাবি করেছিলেন, রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭১টি ওয়ার্ডকে শতভাগ বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার সকালে দক্ষিণ সিটির ১৪, ২২, ২৭, ৩৫ ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের যেসব এলাকায় বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে, সেগুলোকে আগের রাতেই শতভাগ বর্জ্যমুক্ত বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন