© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গিলদের পাত্তা না দিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু

শেয়ার করুন:
গিলদের পাত্তা না দিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:২০ এএম | ০১ জুন, ২০২৬
আরশাদ খানের লেংথ ডেলিভারি লং-অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দিলেন ভিরাট কোহলি। বলের পরিণতি বুঝতে পেরে তিনি আগেই হেলমেট খুলে ফেললেন। গ্যালারির দিকে ইশারা করে হাত নাড়লেন। ততক্ষণে ডাগআউট থেকে মাঠে ছুটে এসেছেন তার অন্য সতীর্থরা। চলতে থাকল তাদের আনন্দ-উল্লাস। দাপুটে জয়ে আবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

আহমেদাবাদে রোববারের ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে রাজাত পাতিদারের দলের জয় পাঁচ উইকেটে।

জয়ের ভিত গড়ে দেন বেঙ্গালুরুর বোলাররা। তাদের দারুণ বোলিংয়ে ১৫৫ রানে আটকে যায় গুজরাট।


আসরজুড়ে চমৎকার বোলিং করা বেঙ্গালুরুর পেস ত্রয়ী- ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হেইজেলউড ও রাসিখ সালাম জ্বলে ওঠেন আবার। ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ফাইনালের সফলতম বোলার রাসিক। ভুবনেশ্বর ২৯ রানে ও হেইজেলউড ৩৭ রানে নেন ২টি করে উইকেট।

মাঝের ওভারগুলোয় আঁটসাঁট বোলিংয়ে স্রেফ ২৩ রানে একটি উইকেট নেন স্পিনার ক্রুনাল পান্ডিয়া।

রান তাড়ায় ভেঙ্কাটেশ আইয়ারের ব্যাটে উড়ন্ত শুরু পাওয়া দলকে জয়ের ঠিকানায় নিয়ে যান আরেক ওপেনার কোহলি। আইপিএলে নিজের দ্রুততম ফিফটিতে ৯ চার ও তিন ছক্কায় ৪২ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে জয় নিয়ে ফেরেন ভারতের ব্যাটিং গ্রেট। দুই ওভার হাতে রেখেই জিতে যায় বেঙ্গালুরু।

আইপিএলের প্রথম ১৭ আসরে শিরোপাশূন্য বেঙ্গালুরু ও কোহলির অপেক্ষার অবসান হয় গত মৌসুমে। পরের মৌসুমে ধরাই দিল তাদের আরেকটি ট্রফি।

গত আসরের আগে পাতিদারকে অধিনায়কত্ব দিয়েছিল বেঙ্গালুর। তার হাত ধরেই এলো দুটি ট্রফি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

গুজরাট টাইটান্স: ২০ ওভারে ১৫৫/৮ (সুদার্শান ১২, গিল ১০, নিশান্ত ২০, বাটলার ১৯, ওয়াশিংটন ৫০*, আরশাদ ১৫, তেওয়াতিয়া ৭, হোল্ডার ৭, রাশিদ ৭, রাবাদা ৩*; ডাফি ৪-০-৩৮-০, ভুবনেশ্বর ৪-০-২৯-২, হেইজেলউড ৪-০-৩৭-২, রাসিখ ৪-০-২৭-৩, পান্ডিয়া ৪-০-২৩-১)

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ১৮ ওভারে ১৬১/৫ (ভেঙ্কাটেশ ৩২, কোহলি ৭৫*, পাডিক্কাল ১, পাতিদার ১৫, পান্ডিয়া ১, ডেভিড ২৪, জিতেশ ১১*; সিরাজ ৪-০-৩৬-১, রাবাদা ৩-০-৪৪-১, হোল্ডার ২-০-১৬-০, রাশিদ ৪-০-২৫-২, আরশাদ ৪-০-৩২-১, প্রাসিধ ১-০-৭-০)

ফল: বেঙ্গালুরু ৫ উইকেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন