© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মাতৃত্বের পর নারীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়: কিয়ারা আদভানি

শেয়ার করুন:
মাতৃত্বের পর নারীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়: কিয়ারা আদভানি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৩৮ পিএম | ০১ জুন, ২০২৬
মা হওয়ার পর জীবন যে আমূল বদলে যায়, সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই এখন সময় কাটছে বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির। মাতৃত্বের নতুন অধ্যায় উপভোগ করার পাশাপাশি সন্তান জন্মের পর নারীদের প্রতি সমাজের আচরণ ও মানসিকতা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, মাতৃত্ব তাঁর জীবন, চিন্তাভাবনা এবং পৃথিবীকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তাঁর মতে, মা হওয়ার অভিজ্ঞতা একজন নারীর ব্যক্তিগত ও মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলে।

কিয়ারা বলেন, ‘মা হওয়ার অভিজ্ঞতা সব দিক থেকেই একেবারে অন্যরকম। তবু আমার মনে হয় যে পরিচালকেরা আমার সঙ্গে কাজ করবেন, তাঁরা আমার সেরা দিকটিই দেখতে পাবেন।
মাতৃত্বের এই জার্নি আমার মধ্যে, আমার জীবনে এবং জগৎ সম্পর্কে আমার উপলব্ধিতে এক নতুন দিক উন্মোচন করেছে।’

তবে মাতৃত্বের আনন্দের পাশাপাশি সমাজের এক বৈপরীত্যপূর্ণ আচরণের দিকও তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।

তাঁর মতে, গর্ভাবস্থায় একজন নারীকে প্রশংসায় ভাসানো হলেও সন্তান জন্মের পরই বদলে যায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি। তখন নারীর শারীরিক পরিবর্তন, ওজন বৃদ্ধি কিংবা চেহারার গঠন নিয়ে শুরু হয় নানা মন্তব্য ও সমালোচনা।

এ প্রসঙ্গে কিয়ারা বলেন, ‘যখন আপনি গর্ভবতী থাকেন, তখন সবাই বলে, ‘ওহ মাই গড, তোমায় কী সুন্দর দেখাচ্ছে।’ আর সন্তান হওয়ার পরমুহূর্তেই মনোভাব বদলে যায়। তখন বলা হয় ‘এখন তো খুব মোটা লাগছে। কেমন একটা যেন হয়ে গেলে।’

কিয়ারা মনে করেন, একজন নারীর জীবনে সন্তান জন্মের পরের সময়টাই সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল।

অথচ ঠিক সেই সময়েই অনেক নারীকে মানসিক চাপ, সামাজিক সমালোচনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়।



অন্তঃসত্ত্বাকালীন অবস্থায় একজন মেয়েকে ‘দেবী’ বানিয়ে রাখা হয়। তবে একজন মেয়ের জীবনের কঠিন সময় হলো সন্তান জন্মের পরে।

অভিনেত্রীর কথায়, ‘ঠিক সবচেয়ে বেশি যে সময়ে মানসিক শান্তির প্রয়োজন, তখনই ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় বহু নারীকে।’

কিয়ারার এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মাতৃত্ব-পরবর্তী সময়ে নারীদের শারীরিক পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা এবং তাদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হওয়া জরুরি— সেই বার্তাই তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

এসএন 

মন্তব্য করুন