© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইউক্রেনে ‘বড় হামলা’ চালাতে পারে রাশিয়া, শঙ্কা জেলেনস্কির

শেয়ার করুন:
ইউক্রেনে ‘বড় হামলা’ চালাতে পারে রাশিয়া, শঙ্কা জেলেনস্কির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৪৪ পিএম | ০১ জুন, ২০২৬
পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের সামরিক বিমানঘাঁটি ও জ্বালানি-পরিবহন অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে মস্কো। জবাবে, রোস্তভ অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি করেছে কিয়েভ। এমন পরিস্থিতিতে ‘বড় ধরনের’ রুশ হামলার শঙ্কায় সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রাশিয়া দাবি করেছে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। ১৪৮টি এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনা ও বিদেশি যোদ্ধাদের অবস্থানে আঘাত হানার কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিকে, ইউক্রেনের একটি ড্রোন জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের টারবাইনে আঘাত হানার অভিযোগ করেছেন পারমাণবিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের প্রধান অ্যালেক্সি লিখাচেভ। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়ে ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং দুটি টিইউ-১৪২ সামরিক বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে জেলেনস্কি বাহিনী।

হামলা রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে বলেও দাবি তাদের। একইসঙ্গে জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা নিয়ে রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউক্রেন। এটিকে ভিত্তিহীন প্রচারণা বলে উল্লেখ করেছে কিয়েভ।

এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কা এখনও আছে বলে সতর্ক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানান, এ বিষয়ে মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শিগগিরই নতুন বৈঠক ও প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে।

জেলেনস্কি বলেন, বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা এখনও রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের মিত্ররা রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে। তবে রাশিয়া তাদের অবস্থান বদলাবে, এমন আশা খুব কম। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিপদের সংকেত পেলেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান এবং নিজের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা ও কঠোর অবস্থানে যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক তৎপরতা, দুই পথেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো ও কিয়েভ।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন