© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বৃটেনের ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক, অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে দেশের দুগ্ধখাতেও

শেয়ার করুন:
বৃটেনের ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক, অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে দেশের দুগ্ধখাতেও

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:০৭ এএম | ০২ জুন, ২০২৬

১ জুন জাতীয় দুগ্ধ দিবস। দিবসটিতে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্ক ভিটা)-এর মহাব্যবস্থাপক মো. এনায়েত করিম চৌধুরী বৃটেনে অবস্থান করছেন। দিবসটিকে ঘিরে দেশের দুগ্ধ উৎপাদন ও গরুর খামার আধুনিকায়ন ও আরও উন্নত করতে অভিজ্ঞতা নিতে বৃটেনের একাধিক আধুনিক ডেইরি ফার্ম ও গরুর খামার পরিদর্শন করেছেন মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক।


বিগত তিনদিন যাবৎ বৃটেনের ভিন্ন ভিন্ন এলাকার ডেইরি ফার্ম ও গরুর খামার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন খামারের উৎপাদন ব্যবস্থা, পশুস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক দুধ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি এবং খামার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।


পরিদর্শনের সময় এনায়েত করিম ব্রিটেনের খামার মালিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দুগ্ধ উৎপাদন, গবাদিপশুর পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত সংরক্ষণ এবং খামারের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

তাঁর এ পরিদর্শন নিয়ে দেশের একটি গণমাধ্যমকে এনায়েত করিম বলেন, ব্রিটেনের ডেইরি শিল্প অত্যন্ত উন্নত ও প্রযুক্তিনির্ভর। এখানে খামার ব্যবস্থাপনা, পশুর স্বাস্থ্যসেবা এবং দুধের গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা হচ্ছে, সেগুলোর অনেক কিছুই আমাদের দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজে লাগানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, এই সফরের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশের দুগ্ধখাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে খামারিদের প্রশিক্ষণ, উৎপাদন ব্যয় কমানো, দুধের মান উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ গ্রহণে এসব অভিজ্ঞতা সহায়ক হবে।

মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক আশা প্রকাশ করে বলেন, আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ধীরে ধীরে দেশের খামার পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা গেলে দুগ্ধ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

বিদেশের সফল অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তি দেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করা গেলে বাংলাদেশের দুগ্ধশিল্প আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই হয়ে উঠবে। জাতীয় দুগ্ধ সপ্তাহের এই উদ্যোগ খাতটির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে তিনি প্রত্যাশা করেন।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন