© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

খামেনির দাফনে ২ কোটি মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি

শেয়ার করুন:
খামেনির দাফনে ২ কোটি মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৭ এএম | ০৪ জুন, ২০২৬
অবশেষে তেহেরানে হতে যাচ্ছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শেষযাত্রার আয়োজন। আগামী ১৭ জুন মহররম বা কারবালা দিবসের আগে-পরে মিলিয়ে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।

১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় তিনি নিহত হন। তার মৃত্যুতে দেশটিতে ৪০ দিন শোক ও ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

পরে ৪ মার্চ থেকে তিন দিনব্যাপী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছিল ইরানি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকায় আয়োজনের প্রস্তুতিতে জটিলতা দেখা দেয় এবং অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের নতুন সময়সূচি পরে ঘোষণা করার কথা জানালেও দীর্ঘসময় এ বিষয়ে কিছু বলেনি ইরানের কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেয়ার পর তিনিও বাবা আয়াতুল্লাহর শেষকৃত্য অনুষ্ঠান নিয়ে কিছু বলেননি।

অবশেষে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জন্য ইরান ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের জমায়েতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মৃত্যুর এতদিন পর জানাজা দাফন সম্পন্ন হবে খামেনির।

গত মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আয়াতুল্লাহর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন তেহরানের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলিজাদেহ।

তিনি বলেন, ‘৩ দিনের শোকযাত্রা ও দাফন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শোকযাত্রার মূল অনুষ্ঠান তেহরানের পাশাপাশি কোম ও মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে।’ মাশহাদে দাফনকাজ সম্পন্ন হবে বলেও তিনি জানান।

ডেপুটি মেয়র জানান, খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠান ইসলামি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস মহররমের শুরুতে হতে পারে, যা জুনের মাঝামাঝি সময়ে পড়বে। তিনি বলেন, ‘তেহরানের অনুষ্ঠান অন্তত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলবে। শোকযাত্রায় প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।’

ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদ শহরেই জন্মগ্রহণ করেন খামেনি। সেখানে ইমাম রেজার মাজার এলাকায় তার বাবাকে দাফন করা হয়েছিল।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন