© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শাপলা চত্বরের মামলাদীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

শেয়ার করুন:
দীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:০৪ পিএম | ০৭ জুন, ২০২৬
এক যুগ আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তিন আসামিকে এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আবেদনে রবিবার (৭ জুন) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। গত ১৪ মে এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার।

আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মেজবাহ।

গতকাল এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) থেকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় আবেদন করলে তা মঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১০ আগস্ট মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করা হয়েছে বলে কালের কণ্ঠকে জানান প্রসিকিউটর আবসুদ সাত্তার।

২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের চার জেলায়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে হত্যার তথ্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এই ৫৮ জনেরই পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে গত ৫ মে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের সমাবেশে নির্বিচার গুলি চালিয়ে শতাধিক কর্মী হত্যার কথা উল্লেখ ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ দেন হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক। অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ, লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারও আছেন অভিযুক্তের তালিকায়।

এ মামলায় গ্রেপ্তার আছেন আরো পাঁচ আসামি। তারা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির। গত বছর ১৪ মে ১২ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ৫ এপ্রিল আবদুল জলিল মণ্ডলকে এ মামরায় জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল।

টিকে/

মন্তব্য করুন