© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

টিভি সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন ক্ষুব্ধ ট্রাম্প!

শেয়ার করুন:
টিভি সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন ক্ষুব্ধ ট্রাম্প!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৫৫ এএম | ০৮ জুন, ২০২৬
ক্যালিফোর্নিয়ার ভোট গণনা নিয়ে বিতর্কের জেরে এনবিসি নিউজের 'মিট দ্য প্রেস' অনুষ্ঠানের একটি সাক্ষাৎকার মাঝপথেই ছেড়ে উঠে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়েলকারকে 'দুর্নীতিগ্রস্ত' ও 'বোকা' বলে আখ্যা দিয়ে মাইক্রোফোন ছুড়ে ফেলে তিনি হঠাৎ করেই ওই টেলিভিশন সাক্ষাৎকারটি শেষ করে দেন।

মূলত ক্যালিফোর্নিয়ার ধীরগতির ভোট গণনা পদ্ধতিকে 'কারচুপি বলে ট্রাম্প যে দাবি করেছিলেন, তার সপক্ষে প্রমাণ চাওয়ায় এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের পাঁচ দিন পরও ফলাফল না পাওয়াটা প্রমাণ করে যে সেখানে জালিয়াতি হচ্ছে। কিন্তু উপস্থাপিকা ওয়েলকার যখন জানান যে ক্যালিফোর্নিয়ায় এভাবেই ভোট গোনা হয় এবং বারবার এই কারচুপির প্রমাণ চান, তখন ট্রাম্প কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। প্রমাণ হিসেবে তিনি কেবল জানান যে, এসব তিনি নিজের চোখেই দেখছেন এবং মানুষের কথা শুনছেন।

সাংবাদিক আরও চাপ দিলে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ওয়েলকার এবং পুরো গণমাধ্যমকেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলে আক্রমণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থাকে তিনি তৃতীয় বিশ্বের দেশের সঙ্গে তুলনা করেন। ওয়েলকার নিজেকে দুর্নীতিগ্রস্ত নন বলে দাবি করে আলোচনা এগিয়ে নিতে চাইলে ট্রাম্প তাকে বলেন, 'আপনি হয় দুর্নীতিগ্রস্ত, নয়তো বোকা।' এবিসি, সিবিএস এবং সিএনএনের মতো অন্যান্য নেটওয়ার্কগুলোকেও তিনি একপেশে ও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মন্তব্য করেন। এরপর যথেষ্ট হয়েছে, এবার শেষ করা যাক। ধন্যবাদ ডার্লিং, ভালো সময় কাটুক বলে মাইক্রোফোন খুলে মেঝেতে ছুড়ে ফেলে দিয়ে তিনি সাক্ষাৎকারটি শেষ করে দেন।

পরবর্তীতে ওয়েলকার তাকে উইসকনসিনে এসে সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দিলে ট্রাম্প বিরক্তি প্রকাশ করে জানান, তিনি বৃষ্টির মধ্যে এক ঘণ্টা ধরে তার সঙ্গে বসে থেকে যথেষ্ট সময় দিয়েছেন। এরপর গণমাধ্যমকে নিজেদের আচরণ শুধরানোরও পরামর্শ দেন তিনি।

তবে সাংবাদিকদের ওপর ট্রাম্পের এমন ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এই সাক্ষাৎকারের কয়েকদিন আগেই সিএনএনের প্রতিবেদক কেইটলান কলিন্সকে আক্রমণ করে ওই নেটওয়ার্কটিকে 'অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত সংগঠন' বলে আখ্যা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল দাঙ্গার সঙ্গে জড়িতদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করায় কলিন্সকে চুপ থাকতেও বলেছিলেন তিনি।

সূত্র: এনডিটিভি

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন