© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তালাক ছাড়াই বিয়ে: নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে রায় বুধবার

শেয়ার করুন:
তালাক ছাড়াই বিয়ে: নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে রায় বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৩৫ পিএম | ০৯ জুন, ২০২৬
তালাক না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আগামীকাল বুধবার। ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান।

মামলায় আনা অভিযোগ অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলে নাসির হোসেন দণ্ডবিধির দুটি ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা পেতে পারেন। অন্যদিকে, তামিমা সুলতানা দোষী সাব্যস্ত হলে দণ্ডবিধির তিনটি ধারায় সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

এর আগে গত ৬ মে উভয় পক্ষ আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান দাবি করেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত। অপরদিকে, নাসিরের পক্ষে অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু এবং তামিমার পক্ষে অ্যাডভোকেট মোসলেহ উদ্দিন জসীম অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করে তাদের খালাস প্রার্থনা করেন।

শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১০ জুন দিন ধার্য করেন। যুক্তিতর্ক চলাকালে নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা আসামির কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানার সঙ্গে রাকিব হাসানের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।



২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাকিবের নজরে আসে। পরে একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ রিভিশন আবেদন করলেও ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালত তা নাকচ করে দেন। ফলে মামলার বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আর কোনো আইনি বাধা থাকে না।

২০২৩ সালের ২০ মার্চ বাদী রাকিবের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ১০ মার্চ আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নাসির ও তামিমা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

এসএন 

মন্তব্য করুন