খোলা শরীরে ফুটবলারদের ছবির ছড়াছড়ি! ‘খুঁজুন তো নেইমার কোথায়?’, প্রশ্ন লাস্যময়ী ব্রাজিল সুন্দরীর
ছবি: সংগৃহীত
১২:২৩ এএম | ১৫ জুন, ২০২৬
বিশ্বকাপ শুরু হতেই ব্রাজিলের সুন্দরী মডেল যে কাণ্ড করে বসলেন, তাতে চক্ষু চড়কগাছ ফুটবল ভক্তদের।
বিশ্বকাপের আঁচে পুড়ছে গোটা দুনিয়া। প্রিয় দেশের তারকাদের ছবি ঝুলিয়ে রাখছে ঘরের দেওয়ালে। রাস্তায় ঝুলছে বড় বড় কাটআউট। কিন্তু যদি গোটা শরীর জুড়ে কেউ পছন্দের ফুটবলারদের সাজিয়ে রাখেন। গায়ে কুটোটিও নেই। শুধু নেইমার-ভিনিসিয়াসদের ছবি। এমনই কাণ্ড ঘটালেন ব্রাজিলের লাস্যময়ী মডেল।
তাঁর নাম কেরোলে চাভেস। অবশ্য লাস্যময়ী বললে কিছুই বলা হয় না। আসলে পুরোদস্তুর দুষ্টু ছবির নায়িকা। ইনস্টাগ্রামে খোলামেলা ছবি আপলোডের জন্য ফলোয়ার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। প্রায় ৫০ লক্ষ। বিশ্বকাপ শুরু হতেই তিনি যে কাণ্ড করে বসলেন, তাতে চক্ষু চড়কগাছ ফুটবল ভক্তদের।
দিন কয়েক আগে ইনস্টাগ্রামে চাভেস যে ভিডিওটি পোস্ট করেন, তার শুরুটা দেখে অনেকে বুঝতে পারেননি ঠিক কী হতে চলেছে। ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ রঙের বিকিনি পরেছিলেন তিনি। তারপরই শুরু করেন একের পর এক স্টিকার লাগানো। শরীরের গোপন অংশ ঢেকে ফেলেন মেসি, রোনাল্ডো, নেইমারদের স্টিকারে। প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে নিজের শরীরে ১০০০টা স্টিকার লাগিয়েছেন চাভেস।
ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, 'বিশ্বকাপের নতুন সুন্দরী হয়ে উঠেছি। কেমন লাগছে? কোথায় কোন ফুটবলারকে বসাব, তা নিয়ে ভাবতেই সবচেয়ে বেশি মজা পেয়েছি।' তার সঙ্গে একটা দুষ্টু প্রশ্নও রেখেছেন চাভেস। ভক্তদের উদ্দেশ্যে তাঁর প্রশ্ন, "আচ্ছা বলো তো, 'ভিনি, নেইমারদের স্টিকার কোথায় আছে?'

এই স্টিকারগুলোর একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। যাকে 'পানিনি স্টিকার' বলা হয়। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপের সময় থেকে এই স্টিকার খুব জনপ্রিয় হয়। বহু ফুটবল-ভক্ত এই স্টিকার জমিয়ে রাখেন। আর সেখানে চাভেস নিজেকে বলছেন 'জীবন্ত পানিনি স্টিকার।' ফুটবলের প্রতি তাঁর ছোটবেলার ভালোবাসা। আর এর সঙ্গে অভিনব ফ্যাশনকে মিলিয়ে দেওয়াই ছিল চাভেসের উদ্দেশ্য।
এই সুযোগে নেটিজেনরা কি আর কমেন্ট করতে ছাড়েন? চাভেসের কমেন্ট বক্সে টিকা-টিপ্পনীরও কমতি নেই। কেউ তাঁর অভিনবত্বে মুগ্ধ। আবার অনেকে, দুষ্টুমিষ্টি মন্তব্য করতেও ছাড়ছেন না। তবে এই চমকটা দিতে কিছুটা ঝুঁকিও নিয়েছেন চাভেস। কারণ, অতিরিক্ত খোলামেলা ছবির ক্ষেত্রে ইনস্টাগ্রামের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা, এমনকী ব্যানও নেমে আসতে পারে।
কেন এরকম ঝুঁকি নিলেন? সেটা কি শুধু ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার জন্য। আসলে এই 'পোশাকে' একটি প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছেন তিনি। ব্রাজিলের সবচেয়ে সুন্দর ও আবেগপ্রবণ সমর্থক এই পুরস্কারটি পান। ২০২২ থেকে সোশাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা পান। সেবার বিশ্বকাপের সময়ও কম আয় হয়নি। এবারের বিশ্বকাপ থেকেও চাভেসের আয় নেহাত কম হবে না।
আর এই স্টাইলে নতুন 'ট্রেন্ড' শুরু করে দিয়েছেন চাভেস। যাতে গা ভাসাচ্ছেন অনেক মডেল। যেমন মেক্সিকোর মডেল আদ্রিয়ানা অলিভারেজও নিজেকে স্টিকার দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, 'কেউ রাগ করো না। ট্রেন্ডে গা ভাসানোর সুযোগ ছাড়তে পারলাম না। জীবন উপভোগ করো। বিশ্বকাপ উপভোগ করো।'
টিজে/টিএ