রাশিয়ায় কর্মী পাঠানোর আগে কঠোর যাচাই-বাছাই করা হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৪৫ পিএম | ১৫ জুন, ২০২৬
রাশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে এখন থেকে আরও কঠোর যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিদেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণবিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের আগামী পাঁচ বছরের টার্গেটে রাশিয়ায় ৩ থেকে ৪ লাখ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। মূলত সেখানে যুদ্ধের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও স্থানীয় লোকজন চলে যাওয়ায় এই কর্মীর চাহিদা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ায় যাওয়া ৩০ জন বাংলাদেশিকে যুদ্ধে জড়ানোর একটি অভিযোগের বিষয়ে সরকার শুরু থেকেই তৎপর। যেসব এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং রিক্রুটিং লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলা কোনো সমাধান নয়। বরং কীভাবে ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট বা সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লোক পাঠানো যায়, সেদিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০-১২ লাখ লোক বিদেশে যান। এর মধ্যে ২-৪ হাজার লোকের ক্ষেত্রে ভিসা বা প্রতারণাজনিত সমস্যা হতে পারে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ বোর্ড কাজ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও সাপোর্ট দিচ্ছে। রাশিয়ার ক্ষেত্রে এখন থেকে যারা যাবে, তারা যেন কোনোভাবেই যুদ্ধে না জড়ায় এবং ওয়ার্কিং ভিসায় যায়—তা দূতাবাস ও বিএমইটি কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করবে।
কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনামের মতো দেশেও মাঝে মধ্যে স্ক্যাম বা প্রতারণার ঘটনা ঘটে। লিগ্যাল ওয়ার্ক পারমিট থাকার পরও যদি মন্ত্রণালয় লোক পাঠাতে বাধা দেয়, তখন রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো অভিযোগ করে যে মন্ত্রণালয় বাজার নষ্ট করছে। তাই ভিসা সতর্কতার সঙ্গে চেক করে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
এসকে/এসএন