ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন
ছবি: সংগৃহীত
০৮:০৭ পিএম | ১৫ জুন, ২০২৬
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়। সোমবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
পুনর্গঠিত কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীকে সভাপতি এবং প্রতিমন্ত্রীকে সহসভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের।
কমিটিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, গৃহায়ণ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা, রেলপথ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এনজিও-বিষয়ক ব্যুরো এবং দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং নিপসমের এন্টোমলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিবকে কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির প্রধান দায়িত্ব
পরিপত্র অনুযায়ী কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে একটি সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান;
গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয়;
প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা এবং জাতীয় নীতিমালা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ;
প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ। বছরে অন্তত চারটি সভা আয়োজন। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সমন্বিত উদ্যোগে গুরুত্ব
স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয়, বরং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের এ কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
এসকে/এসএন