© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ব্রাজিলের সমর্থক, তবু রোনালদোকে নিয়েই উদ্বেগ ঊষসীর

শেয়ার করুন:
ব্রাজিলের সমর্থক, তবু রোনালদোকে নিয়েই উদ্বেগ ঊষসীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১২ পিএম | ১৮ জুন, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের উ”সবে মেতেছে গোটা বিশ্ব। এই উন্মাদনায় ছড়িয়ে পড়েছে সবার মধ্যে। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাত জেগে খেলা দেখে সমর্থন জোগাচ্ছে শোবিজ তারকাও। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা জানালেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। এবারের বিশ্বকাপে সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে, পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত বলে জানান ব্রাজিল সমর্থক এই অভিনেত্রী। দেশের একটি গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঊষসী রায় বলেছেন, আমার কাছে ফুটবল বিশ্বকাপ একটা উৎসবের মতো।

কারণ ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা আমাদের বাড়িতে একটু বেশিই। আর এই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার বহু স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রথম বড় কালার টিভি এসেছিল ২০০২-এর বিশ্বকাপের সময়। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ স্পেশাল।

ওটা মিস করা যাবে না, ওটা কালার টিভিতেই দেখতে হবে। আমেজ নিতে হবে। টিভি নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয় আর কী! তার আগে আমাদের সাদা-কালো টিভিই ছিল। পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের জন্যই আমাদের বাড়িতে কালার টিভি আর কেবল লাইন এল। এইরকম অনেক ঘটনা রয়েছে।

বড় টিভিতে এবারের বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন জানিয়ে এই অভিনেত্রী আরো বলেছেন, মাঠে গিয়ে তো আর খেলা দেখার উপায় নেই, তাই দুধের সাধ ঘোলেই মেটাতে হয়! তবে ওই যে আজকাল সবাই বলে ‘মেনিফস্টেশন’। একদিন অবশ্যই সশরীরে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হবে। আশা করি সেইরকম অবস্থা একদিন তৈরি হবেই।

আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু এবার তো সমস্ত উন্মাদনা, উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে। এটা তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। পর্তুগাল কী করবে? আর্জেন্টিনা কী করবে? পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত। সিআর সেভেনের এটা শেষ বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ান কে হবে? এটা এখন আর বলছি না। মনে মনে থাকুক বলে যোগ করেন তিনি 

রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখা আমার বাড়িতে চাপের নয় উল্লেখ করে মনীষা বলেন, ‘কারণ আমাদের বাড়িতে ফুটবল নিয়ে একটা উত্তেজনা আছে। ফলে রাত জেগে খেলা দেখা নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঝামেলা হয়নি কখনো। কোনও জার্সি আমার কাছে নেই এখনো অবধি। টিকিটের দাম খুবই আকাশ ছোঁয়া। সেটা চারদিকে যুদ্ধের জন্য কী না, জানি না। অন্যবারের তুলনায় টিকিটের দাম এবার খুব বেশি। একটা নর্মাল টিকিটের দামও বেশি। এমনকী, স্টেডিয়ামের ভিতরে জলের বোতল, খাবার যেটাই হোক দাম বেশি। 

তবে বোধহয় কোনও কোনও ভেন্যুতে কমপেরিটেভলি টিকিটের দাম আমার মনে হয় কম। স্টেডিয়ামের ভিতরে যা যা জিনিস পাওয়া যায় তার দাম তুলনামূলকভাবে কম। এটা আমি কোনও একটা কাগজে পড়েছি। যুদ্ধের আবহে থাকলেও ইরান খেলছে এই বিশ্বকাপে। তাদের অলরেডি একটা ম্যাচ খেলাও হয়ে গিয়েছে। তবে এখানে আমি একটা বিতর্কিত কথা বলতে পারি। একদম নিউট্র্যালভাবে। কাউকে কিছু বলছি না। গত বছর বিশ্বকাপের উদ্বোধনে এবারের তুলনায় উন্মাদনা বেশি ছিল। সেলিব্রেশনটা বিশাল ছিল। এবারের উদ্বোধনটা আমার মনে হয়েছে একটু কম কম। যাই হোক, দেখা যাক। যতদিন বিশ্বকাপ চলবে একটা আনন্দ উৎসব তো চলবেই। আমি খুবই এক্সাইটেড বলে জানিয়েছে তিনি।

এসএ/টিকে


মন্তব্য করুন